পুষ্টিসংবেদনশীল কৃষি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ১০০ জন কৃষকের মাঝে জিংক বায়োফর্টিফাইড বিনাধান-২০-এর বীজ বিতরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কৃষকদের জিংকসমৃদ্ধ ধান চাষের কলাকৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মাল্টি-সেক্টরাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (MAIN) প্রকল্পের আওতায় হারভেস্টপ্লাস সল্যুশনস ও নিউট্রিশাস এগ্রিফিউচার বাংলাদেশের উদ্যোগে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জের সহযোগিতায় এটি বাস্তবায়িত হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলার শিমুলবাঁক ও জয়কলস ইউনিয়নের প্রতিটি কৃষককে পাঁচ কেজি করে জিংক বায়োফর্টিফাইড বিনাধান-২০-এর বীজ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে জিংকসমৃদ্ধ ধান চাষের আধুনিক পদ্ধতি, মানসম্মত বীজ ব্যবহার এবং এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। শান্তিগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হারভেস্টপ্লাস সল্যুশনস ও নিউট্রিশাস এগ্রিফিউচার বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মজিবর রহমান এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল কবির। এছাড়া উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ MAIN প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে জিংক বায়োফর্টিফাইড ধানের চাষ সম্প্রসারণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের উৎপাদন বাড়বে এবং পরিবার পর্যায়ে পুষ্টিহীনতা দূর করতে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
রিপোর্টারের নাম 

























