ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন: বিপিপিএ-এর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পরিকল্পনামন্ত্রীর জোর

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আরও বেশি স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের ওপর জোর দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশন প্রাঙ্গণে বিপিপিএ ভবনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘ই-জিপি সিস্টেম উন্নয়ন, ই-জিপি বাধ্যতামূলক বাস্তবায়ন এবং বিপিপিএ-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিপিপিএ-এর ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রক ও তদারকি কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে, ই-জিপি প্ল্যাটফর্মকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত গ্রহণ অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ক্রয়ে নতুন উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালায় সময়োপযোগী সংশোধন প্রয়োজন। দীর্ঘকাল ধরে একটি সীমিত গোষ্ঠীর অংশগ্রহণের যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে এসে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

এই কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন ক্রয়কারী সংস্থা, ব্যবসায়ী সংগঠন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনার শুরুতে বিপিপিএ-এর পরিচালক শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম ‘সরকারি ক্রয়ের আইনগত কাঠামো: ই-জিপি ব্যবস্থার অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। এতে সরকারি ক্রয় সংস্কারের অগ্রগতি, বিপিপিএ-এর সাংগঠনিক কাঠামো, ই-জিপির সাফল্য, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ বলেন, বর্তমান ই-জিপি প্ল্যাটফর্মকে প্রযুক্তিনির্ভর, নাগরিকবান্ধব এবং একটি পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংক্রিয় সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় রূপান্তরের কাজ পুরোদমে চলছে। ব্যবহারকারীদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানকে হারিয়ে স্বস্তিতে আনচেলত্তি: ‘ধৈর্য হারাইনি, এটাই পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স’

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন: বিপিপিএ-এর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পরিকল্পনামন্ত্রীর জোর

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আরও বেশি স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের ওপর জোর দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশন প্রাঙ্গণে বিপিপিএ ভবনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘ই-জিপি সিস্টেম উন্নয়ন, ই-জিপি বাধ্যতামূলক বাস্তবায়ন এবং বিপিপিএ-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক অংশীজন পরামর্শ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিপিপিএ-এর ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রক ও তদারকি কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে, ই-জিপি প্ল্যাটফর্মকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত গ্রহণ অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ক্রয়ে নতুন উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালায় সময়োপযোগী সংশোধন প্রয়োজন। দীর্ঘকাল ধরে একটি সীমিত গোষ্ঠীর অংশগ্রহণের যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে এসে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

এই কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন ক্রয়কারী সংস্থা, ব্যবসায়ী সংগঠন, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনার শুরুতে বিপিপিএ-এর পরিচালক শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম ‘সরকারি ক্রয়ের আইনগত কাঠামো: ই-জিপি ব্যবস্থার অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। এতে সরকারি ক্রয় সংস্কারের অগ্রগতি, বিপিপিএ-এর সাংগঠনিক কাঠামো, ই-জিপির সাফল্য, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ বলেন, বর্তমান ই-জিপি প্ল্যাটফর্মকে প্রযুক্তিনির্ভর, নাগরিকবান্ধব এবং একটি পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংক্রিয় সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় রূপান্তরের কাজ পুরোদমে চলছে। ব্যবহারকারীদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।