ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পানির সংকট মেটাতে জাইকার দ্বারস্থ চট্টগ্রাম ওয়াসা: নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা মেটাতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। বর্তমানে নগরে দৈনিক ১৫ কোটি লিটার পানির ঘাটতি রয়েছে। এই সংকট দূর করতে এবং দৈনিক অতিরিক্ত ১০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন বাড়াতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা বা জাইকার কাছে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছে সংস্থাটি।

চট্টগ্রাম ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৬৫ কোটি লিটার। বিপরীতে বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে ৫০ কোটি লিটার। কিন্তু সরবরাহ লাইনের ত্রুটি ও লিকেজের কারণে প্রতিদিন প্রায় ৯ কোটি লিটার পানি অপচয় হচ্ছে। ফলে গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহ করা পানির পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। এই ঘাটতি পূরণ করতেই নতুন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য জাইকাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি জাইকার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সহযোগিতার প্রস্তাব দেন। ২০০৬ সাল থেকে কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রামে জাইকার বিনিয়োগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। আগের প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নের ফলে উৎপাদন সক্ষমতা ৩৬০ মিলিয়ন লিটার থেকে ৫০০ মিলিয়নে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছিল। নতুন এই উদ্যোগ সফল হলে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের পানি সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুরার ইতিহাস: কারবালা থেকে কায়রো পর্যন্ত শির মোবারকের যাত্রা

পানির সংকট মেটাতে জাইকার দ্বারস্থ চট্টগ্রাম ওয়াসা: নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব

আপডেট সময় : ১০:০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা মেটাতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। বর্তমানে নগরে দৈনিক ১৫ কোটি লিটার পানির ঘাটতি রয়েছে। এই সংকট দূর করতে এবং দৈনিক অতিরিক্ত ১০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন বাড়াতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা বা জাইকার কাছে কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছে সংস্থাটি।

চট্টগ্রাম ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৬৫ কোটি লিটার। বিপরীতে বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে ৫০ কোটি লিটার। কিন্তু সরবরাহ লাইনের ত্রুটি ও লিকেজের কারণে প্রতিদিন প্রায় ৯ কোটি লিটার পানি অপচয় হচ্ছে। ফলে গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহ করা পানির পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। এই ঘাটতি পূরণ করতেই নতুন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য জাইকাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি জাইকার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সহযোগিতার প্রস্তাব দেন। ২০০৬ সাল থেকে কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রামে জাইকার বিনিয়োগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। আগের প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নের ফলে উৎপাদন সক্ষমতা ৩৬০ মিলিয়ন লিটার থেকে ৫০০ মিলিয়নে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছিল। নতুন এই উদ্যোগ সফল হলে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের পানি সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।