কবি হাফিজ শিরাজীর সেই বিখ্যাত পদ্য, যেখানে তিনি সমরখন্দ ও বোখারাকে তুর্কি রমণীর গালের তিলের বিনিময়ে দান করার কথা বলেছিলেন, তা তৈমুর লং-এর মতো বাস্তববাদী শাসকেরও কপালে ভাঁজ ফেলেছিল। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনে এমন ‘প্রেমিক পুরুষ’দের সংখ্যা বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যারা গার্লফ্রেন্ডের গালের কালো তিলের জন্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল (যেমন রংপুর ও চট্টগ্রাম) বিলিয়ে দিতেও দ্বিধা করছেন না। সমালোচকদের মতে, এই ‘হাফিজ’রা হানিট্র্যাপে আটকে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে আনছেন।
প্রাক্তন মন্ত্রী ও সাংসদ দিনেশ ত্রিবেদী, যিনি সম্প্রতি বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে এসেছেন, তিনিও যেন এই একই ধারার রাজনীতিবিদ। শুভেন্দুর মতো তিনিও ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণার অনুরাগী। তিনি বলেছেন, ভারতের ১৪০ কোটি এবং বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী শক্তিতে পরিণত হতে পারে। কিন্তু ইতিহাস বলে, জার্মানির একত্রীকরণের পর তারা স্বতন্ত্র শক্তিধর রাষ্ট্র না হয়ে একটি একক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ত্রিবেদীর এই মন্তব্য অনেকের কাছেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঘটনাপ্রবাহে, এই ধরনের ‘প্রেমের নিবেদন’ বছর কয়েক আগের গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে আফরিদা খাতুন ঝিলের অভিযোগের মতো অসম প্রেমের উপাখ্যানকেও মনে করিয়ে দেয়। দেশের জাতীয় প্রতিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এমন কাব্যিক মানসিকতা কি বাস্তবসম্মত, নাকি এটি একটি বড় ঝুঁকির ইঙ্গিত?
রিপোর্টারের নাম 






















