ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

কারাগারে হাজতির মৃত্যু: রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্ক ও পরিবারের ভিন্ন দাবি

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলম নামের এক হাজতির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেপ্তারের মাত্র একদিনের মাথায় তার মৃত্যু এবং তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। পুলিশ তাকে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা হিসেবে দাবি করলেও পরিবারের পক্ষ থেকে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

আদালতে দাখিল করা পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নুরুল আলম স্থানীয় একটি ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। তবে তার বড় ভাই দাবি করেছেন, নুরুল আলম কোনোদিন যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, বরং তিনি বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের চক্রান্তে তাকে গ্রেপ্তার করানো হয়। কারাগারে তার মৃত্যুকে রহস্যজনক আখ্যা দিয়ে এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন স্বজনরা। এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও তার পরিচয় নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। কেউ তাকে আওয়ামী লীগের অনুসারী বললেও কেউ বলছেন সাম্প্রতিক সময়ে তাকে বিরোধী শিবিরের কর্মসূচিতে দেখা গেছে।

ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিতর্কের বিষয়ে নতুন কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া সম্ভব হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের ওপরই এখন সব নির্ভর করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুমোদন

কারাগারে হাজতির মৃত্যু: রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্ক ও পরিবারের ভিন্ন দাবি

আপডেট সময় : ০৯:১৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নুরুল আলম নামের এক হাজতির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেপ্তারের মাত্র একদিনের মাথায় তার মৃত্যু এবং তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে পুলিশ ও পরিবারের পক্ষ থেকে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। পুলিশ তাকে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা হিসেবে দাবি করলেও পরিবারের পক্ষ থেকে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

আদালতে দাখিল করা পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নুরুল আলম স্থানীয় একটি ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। তবে তার বড় ভাই দাবি করেছেন, নুরুল আলম কোনোদিন যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, বরং তিনি বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের চক্রান্তে তাকে গ্রেপ্তার করানো হয়। কারাগারে তার মৃত্যুকে রহস্যজনক আখ্যা দিয়ে এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন স্বজনরা। এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও তার পরিচয় নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। কেউ তাকে আওয়ামী লীগের অনুসারী বললেও কেউ বলছেন সাম্প্রতিক সময়ে তাকে বিরোধী শিবিরের কর্মসূচিতে দেখা গেছে।

ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিতর্কের বিষয়ে নতুন কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া সম্ভব হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের ওপরই এখন সব নির্ভর করছে।