চট্টগ্রামের পটিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। গত কয়েক মাসের ব্যবধানে পটিয়া পৌরসভা এলাকায় জোড়া খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে দক্ষিণ গোবিন্দরখীল এলাকায় ব্যবসায়ী আবুল কাশেম ও শিশু জায়হান হত্যার ঘটনায় স্থানীয়রা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। শিশু খুনের রহস্য উদ্ঘাটিত হলেও ব্যবসায়ী হত্যা মামলার প্রধান আসামি এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ নিহতের স্বজনরা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত তিন মাসে পটিয়ায় খুন, ছিনতাই, চুরি ও অপহরণের মতো অপরাধ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। সম্প্রতি মাজারের দানবাক্স চুরি থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি পুলিশি উপস্থিতিতে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়লেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার এবং ৯ জুন এক সাংবাদিককে হেনস্তার ঘটনায় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একই রাতে ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি নিহত ও অন্য একজন আহত হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই শিশু জায়হানের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় পটিয়ার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
রিপোর্টারের নাম 
























