বাংলাদেশের কৃষি বিপণন অধিদপ্তর মৌসুমি ফল ও শাকসবজি রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিমানভাড়া কমানোর জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে বিমানভাড়া বেশি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অধিদপ্তর মনে করছে।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে প্রতি কেজি আম রপ্তানির জন্য বিমানভাড়া বাবদ প্রায় ৫৮০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। এই অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে আম ও অন্যান্য পচনশীল কৃষিপণ্যের রপ্তানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে। রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, শুধু খরচ বেশিই নয়, কাঁচা পণ্য পরিবহনে বিমানের অনীহাও একটি বড় সমস্যা। ফলে বাংলাদেশে মানসম্মত আম উৎপাদন সত্ত্বেও রপ্তানি বাজারের পরিধি বাড়ানো যাচ্ছে না।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক ওবায়দুর রহমান মণ্ডল এই চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন উইংয়ের আলোচনার পর মন্ত্রণালয়ের সম্মতিতে বিমান কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানের মতো দেশগুলোতে আম পরিবহনের খরচ অনেক কম হওয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।
বাংলাদেশ অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস প্রডিউসার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এই পদক্ষেপ নিয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনটি উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশ সরকার স্বীকৃত উত্তম কৃষি চর্চা (গ্যাপ) অনুসরণ করে উৎপাদিত আম ও অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলোর বিমান ভাড়া যৌক্তিকভাবে কমানো অত্যন্ত জরুরি।
এই পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্য রপ্তানি সহজ করতে প্রতিবেশী দেশগুলোর বিমান ভাড়া পর্যালোচনা করে একটি যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের জন্য বিমান কর্তৃপক্ষকে একটি প্রতিবেদন প্রেরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























