ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

তজুমদ্দিনে খেলার মাঠ এখন মাদকের আড্ডাখানা: সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ একমাত্র স্টেডিয়াম

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একমাত্র স্টেডিয়ামটি এখন তার পুরনো ঐতিহ্য হারিয়ে ভুতুড়ে পরিবেশে পরিণত হয়েছে। একসময় যেখানে খেলোয়াড়দের পদচারণা আর দর্শকদের করতালিতে মুখর থাকত, সেখানে এখন মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ। দীর্ঘ দিন কোনো টুর্নামেন্ট বা ঘরোয়া লিগ না হওয়ায় মাঠটি কার্যত পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা নামলেই এলাকাটি মাদকাসক্তদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আশির দশকে স্থানীয় এক সম্ভ্রান্ত পরিবার স্কুল ও স্টেডিয়ামের জন্য প্রায় তিন একর জমি দান করেছিলেন। পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের আমলে এখানে গ্যালারিসহ পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়, যা ‘ডাকবাংলো স্টেডিয়াম’ নামে পরিচিতি পায়। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে গ্যালারিগুলো ভেঙে পড়েছে এবং মাঠটি খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে এবং দ্রুতই মাঠটি পরিদর্শন করে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা দ্রুত এই স্টেডিয়ামটি সংস্কার করে পুনরায় খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকস্তব্ধ এলাকাবাসী

তজুমদ্দিনে খেলার মাঠ এখন মাদকের আড্ডাখানা: সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ একমাত্র স্টেডিয়াম

আপডেট সময় : ১২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একমাত্র স্টেডিয়ামটি এখন তার পুরনো ঐতিহ্য হারিয়ে ভুতুড়ে পরিবেশে পরিণত হয়েছে। একসময় যেখানে খেলোয়াড়দের পদচারণা আর দর্শকদের করতালিতে মুখর থাকত, সেখানে এখন মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ। দীর্ঘ দিন কোনো টুর্নামেন্ট বা ঘরোয়া লিগ না হওয়ায় মাঠটি কার্যত পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা নামলেই এলাকাটি মাদকাসক্তদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আশির দশকে স্থানীয় এক সম্ভ্রান্ত পরিবার স্কুল ও স্টেডিয়ামের জন্য প্রায় তিন একর জমি দান করেছিলেন। পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের আমলে এখানে গ্যালারিসহ পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়, যা ‘ডাকবাংলো স্টেডিয়াম’ নামে পরিচিতি পায়। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে গ্যালারিগুলো ভেঙে পড়েছে এবং মাঠটি খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে এবং দ্রুতই মাঠটি পরিদর্শন করে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা দ্রুত এই স্টেডিয়ামটি সংস্কার করে পুনরায় খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।