মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৩:৩০ পূর্বাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

তজুমদ্দিনে খেলার মাঠ এখন মাদকের আড্ডাখানা: সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ একমাত্র স্টেডিয়াম

  • হালনাগাদ সময় : ১২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একমাত্র স্টেডিয়ামটি এখন তার পুরনো ঐতিহ্য হারিয়ে ভুতুড়ে পরিবেশে পরিণত হয়েছে। একসময় যেখানে খেলোয়াড়দের পদচারণা আর দর্শকদের করতালিতে মুখর থাকত, সেখানে এখন মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ। দীর্ঘ দিন কোনো টুর্নামেন্ট বা ঘরোয়া লিগ না হওয়ায় মাঠটি কার্যত পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা নামলেই এলাকাটি মাদকাসক্তদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আশির দশকে স্থানীয় এক সম্ভ্রান্ত পরিবার স্কুল ও স্টেডিয়ামের জন্য প্রায় তিন একর জমি দান করেছিলেন। পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের আমলে এখানে গ্যালারিসহ পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়, যা ‘ডাকবাংলো স্টেডিয়াম’ নামে পরিচিতি পায়। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে গ্যালারিগুলো ভেঙে পড়েছে এবং মাঠটি খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে এবং দ্রুতই মাঠটি পরিদর্শন করে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা দ্রুত এই স্টেডিয়ামটি সংস্কার করে পুনরায় খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে: হুমায়ুন কবীর

28 October 2026

নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে, ফল মেনে নেব: বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

তজুমদ্দিনে খেলার মাঠ এখন মাদকের আড্ডাখানা: সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ একমাত্র স্টেডিয়াম

হালনাগাদ সময় : ১২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার একমাত্র স্টেডিয়ামটি এখন তার পুরনো ঐতিহ্য হারিয়ে ভুতুড়ে পরিবেশে পরিণত হয়েছে। একসময় যেখানে খেলোয়াড়দের পদচারণা আর দর্শকদের করতালিতে মুখর থাকত, সেখানে এখন মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ। দীর্ঘ দিন কোনো টুর্নামেন্ট বা ঘরোয়া লিগ না হওয়ায় মাঠটি কার্যত পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা নামলেই এলাকাটি মাদকাসক্তদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আশির দশকে স্থানীয় এক সম্ভ্রান্ত পরিবার স্কুল ও স্টেডিয়ামের জন্য প্রায় তিন একর জমি দান করেছিলেন। পরবর্তীতে এরশাদ সরকারের আমলে এখানে গ্যালারিসহ পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়, যা ‘ডাকবাংলো স্টেডিয়াম’ নামে পরিচিতি পায়। তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে গ্যালারিগুলো ভেঙে পড়েছে এবং মাঠটি খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে এবং দ্রুতই মাঠটি পরিদর্শন করে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা দ্রুত এই স্টেডিয়ামটি সংস্কার করে পুনরায় খেলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card