মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:০৩ পূর্বাহ্ন | ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বৃহঃস্পতিবার, ১৩ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

অসম্পূর্ণ কাজ ও অব্যবস্থাপনায় ঝুলে আছে শিশু হাসপাতালের কার্যক্রম

  • হালনাগাদ সময় : ১০:২০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

দেশের ছয়টি জেলায় নির্মিত হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন সরকার প্রধান। সেই ধারাবাহিকতায় বরিশালের ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালটি আগামী আগস্টে উদ্বোধনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতাল ভবনের লিফট, বিদ্যুৎ ও পানির সাবস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজই এখনো বাকি রয়েছে। ভবনটি এখনো স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করতে পারেনি গণপূর্ত বিভাগ।

হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা নিয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও প্রশাসনিকভাবে দ্রুত কাজ শেষ করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও সেবা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে অধিকাংশ অর্থ তুলে নিলেও মূল অবকাঠামোগত কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকে ৭ দিনের জন্য বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট স্থগিত

28 October 2026

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতেই হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

অসম্পূর্ণ কাজ ও অব্যবস্থাপনায় ঝুলে আছে শিশু হাসপাতালের কার্যক্রম

হালনাগাদ সময় : ১০:২০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

দেশের ছয়টি জেলায় নির্মিত হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন সরকার প্রধান। সেই ধারাবাহিকতায় বরিশালের ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালটি আগামী আগস্টে উদ্বোধনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতাল ভবনের লিফট, বিদ্যুৎ ও পানির সাবস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজই এখনো বাকি রয়েছে। ভবনটি এখনো স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করতে পারেনি গণপূর্ত বিভাগ।

হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা নিয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও প্রশাসনিকভাবে দ্রুত কাজ শেষ করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও সেবা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে অধিকাংশ অর্থ তুলে নিলেও মূল অবকাঠামোগত কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

Share this news as a Photo Card