পাবনার ভাঙ্গুড়ায় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এবং তাকে পিটুনি দিয়ে থানায় সোর্পদ করার সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাদাবির মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন অভিযুক্ত বিএনপি নেতা সোহেল রানার স্ত্রী শিখা খাতুন।
সংবাদটি প্রকাশ করেছিলেন ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি মাসুদ রানা। এর আগে গত শুক্রবার রাতে ভাঙ্গুড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভুক্তভোগীরা প্রতারণার অভিযোগে সোহেল রানাকে পিটুনি দিয়ে দড়ি বেঁধে থানায় সোর্পদ করেছিল। পরদিন শনিবার ৩৫ জন ভুক্তভোগী সোহেল রানার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। সোহেল রানা উপজেলার রাঙ্গালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ভিজিডি কার্ড, টিউবওয়েল, ল্যাট্রিন ও ঘরসহ সরকারি বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।
সাংবাদিক মাসুদ রানা জানিয়েছেন, তিনি যাচাই-বাছাই করেই সংবাদটি প্রকাশ করেছিলেন এবং দেশের প্রায় সকল প্রথম সারির গণমাধ্যমেও এটি প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি মনে করেন, স্বার্থন্বেষী মহল তাকে হয়রানি করার জন্য এই মামলা করিয়েছে।
সাংবাদিক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক মাহবুব উল আলম বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান ফারুকসহ উপজেলার কর্মরত সংবাদকর্মীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মাসুদ রানাকে অব্যাহতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতা সোহেল রানা পাবনার আমলী আদালত-৪ এ হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
রিপোর্টারের নাম 























