নতুন সরকারের প্রথম বাজেট ঘোষণার প্রাক্কালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত স্বাস্থ্য খাতে সরকারের পরিকল্পনা ও ই-হেলথ কার্ড চালুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য হারে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য বাজেট জিডিপির মাত্র ২.৩ শতাংশ—এই স্বল্প বরাদ্দ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলে আসছে। দেশের বিশাল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে এই বাজেট অপ্রতুল। তবে, নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার একটি সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর এবং ইশতেহারে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বিপুলভাবে বৃদ্ধি করে প্রতি বছর ক্রমাগত তা জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
ড. মুহিত আরও উল্লেখ করেন, আসন্ন ১১ তারিখে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম বাজেট ঘোষণা করা হবে, যেখানে স্বাস্থ্য খাতে বিগত বছরগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি অতীতের একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন – বাজেটের সক্ষমতা ঘাটতি। প্রতি বছর প্রায় ২০-২৫ ভাগ বরাদ্দ যথাসময়ে ব্যয় করা যেত না। তবে এবার বছরের শুরু থেকেই বাজেট বৃদ্ধির পাশাপাশি তা যথাসময়ে ব্যবহার করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাজেট পাওয়ার চেয়ে তার সঠিক ও সময়োপযোগী বাস্তবায়নই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে রোগীর সব চিকিৎসা রেকর্ড জানার ব্যবস্থা করা হবে, যা স্বাস্থ্যসেবায় স্বচ্ছতা ও আধুনিকতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 



















