দেশের সরকারি স্বাস্থ্যখাতে চিকিৎসকের বড় ধরনের শূন্যপদ রয়েছে। অনুমোদিত ৪১ হাজার ৮০৬টি চিকিৎসকের পদের বিপরীতে বর্তমানে নয় হাজার ৪০৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া, নার্সের ৪৯ হাজার ৫০১টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৫ হাজার ৩২টি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর ২৬ হাজার ৫৪৪টি পদের মধ্যে ৮ হাজার ৭৮৪টি পদও খালি আছে।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন এই তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব তথ্য উপস্থাপন করেন।
যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রসুলের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান যে, সারা দেশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ১৩ হাজার ২১১টি চিকিৎসকের পদের বিপরীতে মাত্র সাত হাজার ৪২৯ জন কর্মরত আছেন। ফলে ৫ হাজার ৭৮২টি পদ শূন্য রয়েছে। নার্সের ১৩ হাজার ৮০৯টি পদের বিপরীতে ১২ হাজার ১৪৬ জন কর্মরত থাকলেও এক হাজার ৬৬৩টি পদ খালি রয়েছে। অন্যান্য কর্মচারীদের তিন হাজার ১৮৬টি পদের মধ্যে দুই হাজার ১২০ জন কর্মরত এবং এক হাজার ৬৬টি পদ শূন্য।
ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের এক হাজার ১৩৪টি পদের বিপরীতে ৬৪৪ জন কর্মরত আছেন, যা ৬৭০টি পদ শূন্য থাকার ইঙ্গিত দেয়। মিডওয়াইফদের এক হাজার ৩১২টি পদের মধ্যে ৭৪৬ জন কর্মরত এবং ৪৬৬টি পদ শূন্য। এছাড়া, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের তিন হাজার ১৬৭টি পদের মধ্যে এক হাজার ৪৬০ জন কর্মরত এবং এক হাজার ৭০৭টি পদ শূন্য। স্যাকমো পদের তিন হাজার ১৬৫টির মধ্যে এক হাজার ৬৪৫ জন কর্মরত এবং এক হাজার ৫২০টি পদ খালি।
সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশজুড়ে ১৪ হাজার ৪৬০টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে এবং প্রতিটি ক্লিনিকে বছরে দুই লক্ষ ৪৭ হাজার ৯০০ টাকার ঔষধ সরবরাহ করা হয়।
একই সংসদ সদস্যের অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবহার করে তৈরি পোল্ট্রি ও মাছের খাদ্য মানুষের শরীরে ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, আলসার ও কিডনি রোগের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 




















