ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল নিজেই সংক্রমণের ঝুঁকিতে, অপরিচ্ছন্নতা ও অব্যবস্থাপনা চরমে

দেশের একমাত্র বিশেষায়িত সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, যা একসময় ‘সাততলা হাসপাতাল’ নামে পরিচিত ছিল, তা এখন নিজেই নানা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং তীব্র ব্যবস্থাপনা সংকটে জর্জরিত। ১৯৫৮ সালে নির্মিত এই হাসপাতালটি ১৯৬১ সালে সংক্রামক রোগীদের বিশেষ চিকিৎসা ও রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য চালু হলেও সময়ের সাথে সাথে এর অবস্থার অবনতি হয়েছে।

হাসপাতালের ভেতরে ও আশেপাশে চরম অপরিচ্ছন্নতা এবং দুর্গন্ধ বিরাজ করছে। এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাম, এইচআইভি, ডায়রিয়া, বসন্ত, জলাতঙ্ক, ধনুষ্টংকার, কালাজ্বর, ডেঙ্গু, টাইফয়েড, ডিফথেরিয়া, ম্যালেরিয়া ও অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা চলছে। এই একই ওয়ার্ডে বিভিন্ন রোগের রোগীরা একসঙ্গে থাকায় নতুন করে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে, যা সুস্থ হতে আসা রোগীদের আরও অসুস্থ করে তুলছে।

বর্তমানে হামের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালটিতে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যাও অনেক বেড়েছে। ২১ মে সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের তিন, চার, সাত ও আট তলায় হামের রোগীদের চিকিৎসা চলছে। হামের জন্য মাত্র ১৫টি শয্যা নির্ধারিত থাকলেও সেদিন ৫১ জন হামে আক্রান্ত শিশু ভর্তি ছিল। এছাড়াও এইডস, চিকেন পক্স, জলাতঙ্ক, ধনুষ্টংকার এবং অন্যান্য জ্বরে আক্রান্ত রোগীরাও একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে সেদিন ৯৬ জন রোগী ভর্তি ছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৩ ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্ত অব্যাহত

সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল নিজেই সংক্রমণের ঝুঁকিতে, অপরিচ্ছন্নতা ও অব্যবস্থাপনা চরমে

আপডেট সময় : ০৩:২২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

দেশের একমাত্র বিশেষায়িত সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, যা একসময় ‘সাততলা হাসপাতাল’ নামে পরিচিত ছিল, তা এখন নিজেই নানা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং তীব্র ব্যবস্থাপনা সংকটে জর্জরিত। ১৯৫৮ সালে নির্মিত এই হাসপাতালটি ১৯৬১ সালে সংক্রামক রোগীদের বিশেষ চিকিৎসা ও রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য চালু হলেও সময়ের সাথে সাথে এর অবস্থার অবনতি হয়েছে।

হাসপাতালের ভেতরে ও আশেপাশে চরম অপরিচ্ছন্নতা এবং দুর্গন্ধ বিরাজ করছে। এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাম, এইচআইভি, ডায়রিয়া, বসন্ত, জলাতঙ্ক, ধনুষ্টংকার, কালাজ্বর, ডেঙ্গু, টাইফয়েড, ডিফথেরিয়া, ম্যালেরিয়া ও অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা চলছে। এই একই ওয়ার্ডে বিভিন্ন রোগের রোগীরা একসঙ্গে থাকায় নতুন করে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে, যা সুস্থ হতে আসা রোগীদের আরও অসুস্থ করে তুলছে।

বর্তমানে হামের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালটিতে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যাও অনেক বেড়েছে। ২১ মে সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের তিন, চার, সাত ও আট তলায় হামের রোগীদের চিকিৎসা চলছে। হামের জন্য মাত্র ১৫টি শয্যা নির্ধারিত থাকলেও সেদিন ৫১ জন হামে আক্রান্ত শিশু ভর্তি ছিল। এছাড়াও এইডস, চিকেন পক্স, জলাতঙ্ক, ধনুষ্টংকার এবং অন্যান্য জ্বরে আক্রান্ত রোগীরাও একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে সেদিন ৯৬ জন রোগী ভর্তি ছিল।