তীব্র গরম এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তার আবহের মধ্যেই সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম বার্ষিক পবিত্র হজ পালন। এই বছর ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম এই ইবাদতের অংশ হিসেবে মুসল্লিরা মিনা, আরাফাত ময়দান, মুজদালিফা এবং মক্কায় ৮ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন অবস্থান করবেন।
হজের পাসপোর্ট বাহিনীর কমান্ডার সালেহ বিন সাদ আল-মুরাব্বা জানিয়েছেন, এবার সৌদি আরবের বাইরে থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী দেশটিতে এসে পৌঁছেছেন। ইরান যুদ্ধের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এবং এর সঙ্গে জড়িত আঞ্চলিক উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তার পটভূমির মধ্যেই বিশ্বাসী মুসলমানরা আল্লাহর দরবারে হাজিরা দিতে দলে দলে ছুটে এসেছেন।
শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম সব মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ করা ফরজ। মিসরের নারী হজযাত্রী সামিয়া আবদুল মোনেম রবিবার মক্কায় বলেন, ‘আমি অত্যন্ত বরকত ও আনন্দের মধ্যে আছি। এটি সত্যি এক অবর্ণনীয় অনুভূতি। আমি বলতে চাচ্ছি, আল্লাহর শোকর যে আমি এই নেয়ামতের মধ্যে শামিল হতে পেরেছি।’
সাধারণত হজের প্রথম দিনে মক্কার অনেক হজযাত্রীই কাছের মরুভূমিতে অবস্থিত মিনার বিশাল তাঁবু নগরীতে গিয়ে সমবেত হন। এর আগে, তীব্র গরমের মধ্যেই হজযাত্রীরা মসজিদুল হারামে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফ বা প্রদক্ষিণ করেছেন। হজযাত্রীদের কাছে হজ হলো একটি গভীর আধ্যাত্মিক অনুভূতির অভিজ্ঞতা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও অতীতের গুনাহ মাফ করিয়ে নেওয়ার এক পরম সুযোগ। আগামী কয়েক দিন ধরে হাজিরা হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
জীবনে একবার হজ পালন করার আশায় অনেক হজযাত্রী বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা ও প্রার্থনা করেন, টাকা জমান এবং এই সফরের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতির অপেক্ষায় থাকেন। তীব্র গরমের মধ্যে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে হাজিদের অনেকেই ছাতা ও হাতপাখা ব্যবহার করছেন। হজযাত্রীরা যাতে পানিশূন্যতায় না ভোগেন, সেজন্য স্বেচ্ছাসেবকেরা পানির বোতল বিতরণ করছেন এবং বড় বড় ফ্যান থেকে পানির হালকা কুয়াশা ছিটানো হচ্ছে।
হজের এই সফরের আগে কিছু হজযাত্রী জানিয়েছেন, চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই যাত্রা শুরু করার সময় তারা তাদের বিশ্বাসের ওপর ভরসা রাখছেন এবং এই সুযোগ পাওয়ায় মনে গভীর কৃতজ্ঞতা অনুভব করছেন। হজ মূলত বিভিন্ন বর্ণ, জাতি,
রিপোর্টারের নাম 
























