ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সংকটে মধ্যবিত্ত: জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে হিমশিম

দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছে মধ্যবিত্ত শ্রেণি। একদিকে উচ্চবিত্তের সম্পদের পাহাড়, অন্যদিকে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা ও ভর্তুকি থাকলেও মধ্যবিত্তরা কোনো পক্ষ থেকেই সুবিধা পাচ্ছে না। চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও অবসরপ্রাপ্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আয়কে ছাড়িয়ে গেছে। মূল্যস্ফীতি, বাড়িভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা খরচ বৃদ্ধির ফলে অনেক পরিবার সঞ্চয় ভেঙে কিংবা ঋণ নিয়ে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছে।

পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক বছরে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আগে যে পরিবার ৪০-৫০ হাজার টাকায় স্বচ্ছন্দে চলত, এখন একই জীবনমান বজায় রাখতে তাদের ৭০-৮০ হাজার টাকার প্রয়োজন হচ্ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে আয় বাড়েনি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রায় সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারি সঠিক নীতিমালা ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই শ্রেণির মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সহিংসতা বাড়লে সনাতনীদের জন্য পৃথক প্রদেশ গঠনের হুঁশিয়ারি: আইনজীবী চৈতালী চক্রবর্তী

সংকটে মধ্যবিত্ত: জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে হিমশিম

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছে মধ্যবিত্ত শ্রেণি। একদিকে উচ্চবিত্তের সম্পদের পাহাড়, অন্যদিকে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা ও ভর্তুকি থাকলেও মধ্যবিত্তরা কোনো পক্ষ থেকেই সুবিধা পাচ্ছে না। চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও অবসরপ্রাপ্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আয়কে ছাড়িয়ে গেছে। মূল্যস্ফীতি, বাড়িভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা খরচ বৃদ্ধির ফলে অনেক পরিবার সঞ্চয় ভেঙে কিংবা ঋণ নিয়ে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছে।

পরিসংখ্যান বলছে, গত কয়েক বছরে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আগে যে পরিবার ৪০-৫০ হাজার টাকায় স্বচ্ছন্দে চলত, এখন একই জীবনমান বজায় রাখতে তাদের ৭০-৮০ হাজার টাকার প্রয়োজন হচ্ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে আয় বাড়েনি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রায় সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারি সঠিক নীতিমালা ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এই শ্রেণির মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।