ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত অনুমোদনে সরকার কাজ করছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত অনুমোদনের লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তিস্তা অববাহিকার মানুষের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিতে প্রকল্পটি নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

শুক্রবার লালমনিরহাটের তিস্তা অবসরে নদী পরিদর্শন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপিও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার জনবান্ধব সরকার। জনকল্যাণে কাজ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে তিস্তা পাড়ের মানুষ যাতে সর্বাধিক সুবিধা পায়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের যাচাই-বাছাই চলছে।” তিনি দেশের স্বার্থ ও জনগণের দীর্ঘমেয়াদি উপকার নিশ্চিত করেই সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে বলে জানান।

পানিসম্পদ মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সরকার কেবল কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিও পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের বিস্তৃত পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলে সরকার দ্রুত প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এ অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবে। প্রয়োজনে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মতো তিস্তা প্রকল্পও বাস্তবায়নের সক্ষমতা সরকারের রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এদিন মন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা নীলফামারীর চাঁদের হাট, কচুকাটা, টেংগন নদী, জলঢাকা ও দেওনাই এলাকা এবং লালমনিরহাট জেলার চাড়ালকাটা নদী, রাজারহাট, ধানজাই ও তিস্তা প্রধান সেচ খাল পরিদর্শন করেন। তারা নদীভাঙন, পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে মপেড নিয়ে হাসনাতের গাড়ি আটকান সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, আইনি জটিলতায় এমপি

তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত অনুমোদনে সরকার কাজ করছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত অনুমোদনের লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তিস্তা অববাহিকার মানুষের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিতে প্রকল্পটি নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

শুক্রবার লালমনিরহাটের তিস্তা অবসরে নদী পরিদর্শন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপিও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, “বর্তমান সরকার জনবান্ধব সরকার। জনকল্যাণে কাজ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তিস্তা মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে তিস্তা পাড়ের মানুষ যাতে সর্বাধিক সুবিধা পায়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের যাচাই-বাছাই চলছে।” তিনি দেশের স্বার্থ ও জনগণের দীর্ঘমেয়াদি উপকার নিশ্চিত করেই সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে বলে জানান।

পানিসম্পদ মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সরকার কেবল কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিও পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের বিস্তৃত পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলে সরকার দ্রুত প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এ অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবে। প্রয়োজনে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মতো তিস্তা প্রকল্পও বাস্তবায়নের সক্ষমতা সরকারের রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এদিন মন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা নীলফামারীর চাঁদের হাট, কচুকাটা, টেংগন নদী, জলঢাকা ও দেওনাই এলাকা এবং লালমনিরহাট জেলার চাড়ালকাটা নদী, রাজারহাট, ধানজাই ও তিস্তা প্রধান সেচ খাল পরিদর্শন করেন। তারা নদীভাঙন, পানি ব্যবস্থাপনা ও সেচ ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।