সরকারের বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে পুরোনো ধারাবাহিকতা পরিহার করে জনবান্ধব বাজেট তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। তারা বলেছেন, বাজেট যেন কোনোভাবেই লুটেরাদের স্বার্থে প্রণীত না হয়। কর ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করা, অনলাইনে সমন্বিত কর গ্রহণ পদ্ধতি এবং ফেসলেস ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় আয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
‘বৈশ্বিক অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের বাজেট: কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও সংস্কারে অগ্রাধিকার এবং জনপ্রত্যাশার বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক আখতার হোসেন বলেন, অতীতে বাজেট কেবল একটি কাগজে দলিল ছিল এবং একটি করপোরেট গোষ্ঠী দেশ পরিচালনা করতো, যারা দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। জবাবদিহিতার মুখোমুখি হলে তারা এখন নাগরিকত্বও অস্বীকার করতে চায়। তিনি আশা করেন, এবারের বাজেট সাধারণ মানুষের জন্য হবে, লুটেরাদের জন্য নয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বাজেট সংসদে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যার সঙ্গে নাগরিকদের সম্পৃক্ততা সবচেয়ে বেশি। প্রতি বছর বাজেট সামনে এলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বাজেট করার কথা শোনা গেলেও, বাস্তবে গতানুগতিক ধারার বাজেটই পাস হতে দেখা যায়। অর্থনৈতিক সংস্কার ও মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরের ওপর জোর দিয়ে এই আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























