দেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন, যা ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনার জন্ম দিয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী।
সামগ্রিকভাবে এসব আন্দোলনের পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি, নতুন উপাচার্য নিয়োগে অসন্তোষ, শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রশাসনের ব্যর্থতা। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সংকট, যৌন নিপীড়ন বা ধর্ষণচেষ্টার মতো ঘটনার বিচার এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও শিক্ষার্থীরা মাঠে নেমেছেন। এছাড়া শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ স্বার্থ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতাও অস্থিরতা বাড়াচ্ছে। মতাদর্শিক সংঘর্ষের কারণে ক্যাম্পাসগুলোতে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।
বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবির আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করেছে। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। কয়েকশ’ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তারা এতে অংশ না নিয়ে উপাচার্যবিরোধী কর্মসূচিতে অংশ নেন। ভিসির পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি কয়েকদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
একদফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে প্রতিদিনই উপাচার্যবিরোধী কর্মসূচি, অবস্থান ধর্মঘট, বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন পালিত হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও অবস্থান ধর্মঘট করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনেও সমাবেশ করে উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দফতরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন তারা। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। জরুরি সেবা, নথিপত্র ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। আন্দোলন শুরুর পর থেকেই উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য ক্যাম্পাসের বাইরে রয়েছেন। এই অবস্থায় আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই নানা অভিযোগের মুখে পড়েন।
রিপোর্টারের নাম 

























