ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতি: কিভাবে মিটবে ঈদের চাহিদা?

চট্টগ্রামে আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুর চাহিদা পূরণে প্রায় ৩৫ হাজার পশুর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এবার কোরবানিতে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৮১টি পশুর চাহিদা থাকলেও স্থানীয় খামারিদের কাছে মজুত রয়েছে মাত্র ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি পশু। তবে গত বছরের তুলনায় পশুর চাহিদা কমেছে প্রায় ৭৭ হাজার ৫৮৮টি। একই সঙ্গে, চলতি বছরে স্থানীয়ভাবে পশু উৎপাদন গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে গত দেড় বছরে চট্টগ্রামে পাঁচ শতাধিক খামার বন্ধ হয়ে গেছে, যা পশু উৎপাদন হ্রাসের প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ আশ্বস্ত করেছে যে, পশুর উৎপাদন কম হলেও চট্টগ্রামে কোরবানিতে পশুর কোনও ঘাটতি হবে না। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন খামার, এমনকি রাস্তা ও অলিগলিতেও গরু-ছাগল আসতে শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রাকে ট্রাকে পশু আসছে, যা স্থানীয় চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর সূত্র আরও জানিয়েছে, এ বছর চট্টগ্রাম মহানগরী এবং ১৪টি উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি। সেই হিসেবে স্থানীয় উৎপাদনের বিপরীতে ৩৫ হাজার ৫২০টি গবাদিপশুর ঘাটতি রয়েছে। এ বছর স্থানীয়ভাবে হৃষ্টপুষ্ট গরুর সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ২৭৯টি, যা গত বছর ছিল ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮১৩। ছাগলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯৪ হাজার ৫১৯টি, যা গত বছর ছিল দুই লাখ ৫১ হাজার ৭৪। মহিষের সংখ্যা ৪৭ হাজার ৮৩৪টি (গত বছর ৬৪ হাজার ১৬৩) এবং ভেড়ার সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৪২৩-এ (গত বছর ৫৫ হাজার ৬৯৭)।

চট্টগ্রামে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১২ হাজার ৫০০টি খামার ছিল। তবে গত এক থেকে দেড় বছরে পাঁচ শতাধিক খামার বন্ধ হয়ে গেছে। রাজনৈতিক অস্থিরত…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদাবাজি বন্ধে মানুষের এক-তৃতীয়াংশ শান্তি ফিরবে: জামায়াত আমির

চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতি: কিভাবে মিটবে ঈদের চাহিদা?

আপডেট সময় : ০২:১৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

চট্টগ্রামে আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুর চাহিদা পূরণে প্রায় ৩৫ হাজার পশুর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এবার কোরবানিতে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৮১টি পশুর চাহিদা থাকলেও স্থানীয় খামারিদের কাছে মজুত রয়েছে মাত্র ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি পশু। তবে গত বছরের তুলনায় পশুর চাহিদা কমেছে প্রায় ৭৭ হাজার ৫৮৮টি। একই সঙ্গে, চলতি বছরে স্থানীয়ভাবে পশু উৎপাদন গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে গত দেড় বছরে চট্টগ্রামে পাঁচ শতাধিক খামার বন্ধ হয়ে গেছে, যা পশু উৎপাদন হ্রাসের প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ আশ্বস্ত করেছে যে, পশুর উৎপাদন কম হলেও চট্টগ্রামে কোরবানিতে পশুর কোনও ঘাটতি হবে না। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন খামার, এমনকি রাস্তা ও অলিগলিতেও গরু-ছাগল আসতে শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রাকে ট্রাকে পশু আসছে, যা স্থানীয় চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর সূত্র আরও জানিয়েছে, এ বছর চট্টগ্রাম মহানগরী এবং ১৪টি উপজেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি। সেই হিসেবে স্থানীয় উৎপাদনের বিপরীতে ৩৫ হাজার ৫২০টি গবাদিপশুর ঘাটতি রয়েছে। এ বছর স্থানীয়ভাবে হৃষ্টপুষ্ট গরুর সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ২৭৯টি, যা গত বছর ছিল ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৮১৩। ছাগলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯৪ হাজার ৫১৯টি, যা গত বছর ছিল দুই লাখ ৫১ হাজার ৭৪। মহিষের সংখ্যা ৪৭ হাজার ৮৩৪টি (গত বছর ৬৪ হাজার ১৬৩) এবং ভেড়ার সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৪২৩-এ (গত বছর ৫৫ হাজার ৬৯৭)।

চট্টগ্রামে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১২ হাজার ৫০০টি খামার ছিল। তবে গত এক থেকে দেড় বছরে পাঁচ শতাধিক খামার বন্ধ হয়ে গেছে। রাজনৈতিক অস্থিরত…