ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

চাঁদাবাজি বন্ধে মানুষের এক-তৃতীয়াংশ শান্তি ফিরবে: জামায়াত আমির

সারা দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হলে মানুষের এক-তৃতীয়াংশ শান্তি ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জামায়াতে ইসলামীর মুন্সীগঞ্জ জেলার বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, যে দল নিজের নেতাকর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে দূরে রাখতে পারে না, সে দলের দেশ শাসন করার অধিকার থাকতে পারে না। যারা নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তারাই দেশে সুশাসন দিতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্বপ্ন সম্পদের পাহাড় গড়া নয়, দেশবাসীকে ভালো রাখা। আমরা জনগণের দেওয়া আমানত রক্ষা করার চেষ্টা করবো। কিন্তু যদি এমন পরিস্থিতি আসে যে এই সংসদ আর কোনো যথার্থতা রাখে না, তখন এই সংসদ থেকে বের হতে এক সেকেন্ডও লাগবে না। সংসদ জনগণের জন্য, যে সংসদ জনগণের প্রয়োজনে আসবে না, সে সংসদে আমাদের থাকার প্রয়োজন থাকবে না।

ক্ষমতাসীন দলের প্রতি ইঙ্গিত করে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, আমরা সরকারকে সময় দিতে চাই। তবে এ সময় অনন্তকাল বছরের পর বছর হতে পারে না। তিনি ভালো কাজের পরিচয় হিসেবে চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান জানান।

সদ্য ঘোষিত বাজেটের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে জামায়াত আমির বলেন, বাজেটে অনেক ক্ষেত্রে কর কমানো হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কি এক টাকাও কমেছে? কারণ, সব জায়গায় সিন্ডিকেট সক্রিয়। এই সিন্ডিকেটগুলো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পেলে কোনো সিন্ডিকেট টিকে থাকতে পারে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে মপেড নিয়ে হাসনাতের গাড়ি আটকান সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, আইনি জটিলতায় এমপি

চাঁদাবাজি বন্ধে মানুষের এক-তৃতীয়াংশ শান্তি ফিরবে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সারা দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হলে মানুষের এক-তৃতীয়াংশ শান্তি ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জামায়াতে ইসলামীর মুন্সীগঞ্জ জেলার বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, যে দল নিজের নেতাকর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে দূরে রাখতে পারে না, সে দলের দেশ শাসন করার অধিকার থাকতে পারে না। যারা নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে, তারাই দেশে সুশাসন দিতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্বপ্ন সম্পদের পাহাড় গড়া নয়, দেশবাসীকে ভালো রাখা। আমরা জনগণের দেওয়া আমানত রক্ষা করার চেষ্টা করবো। কিন্তু যদি এমন পরিস্থিতি আসে যে এই সংসদ আর কোনো যথার্থতা রাখে না, তখন এই সংসদ থেকে বের হতে এক সেকেন্ডও লাগবে না। সংসদ জনগণের জন্য, যে সংসদ জনগণের প্রয়োজনে আসবে না, সে সংসদে আমাদের থাকার প্রয়োজন থাকবে না।

ক্ষমতাসীন দলের প্রতি ইঙ্গিত করে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, আমরা সরকারকে সময় দিতে চাই। তবে এ সময় অনন্তকাল বছরের পর বছর হতে পারে না। তিনি ভালো কাজের পরিচয় হিসেবে চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান জানান।

সদ্য ঘোষিত বাজেটের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে জামায়াত আমির বলেন, বাজেটে অনেক ক্ষেত্রে কর কমানো হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কি এক টাকাও কমেছে? কারণ, সব জায়গায় সিন্ডিকেট সক্রিয়। এই সিন্ডিকেটগুলো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় না পেলে কোনো সিন্ডিকেট টিকে থাকতে পারে না।