ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ল আরও ৪৫ দিন

ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বাড়ানোর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত দুই দিনের নিবিড় আলোচনা শেষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাত থামানোর প্রক্রিয়াটি আরও কিছুদিনের জন্য দীর্ঘায়িত হলো।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই আলোচনাকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বলে বর্ণনা করেছে। গত মাসে ঘোষিত প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই নতুন ঘোষণা এল। উল্লেখ্য, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে দক্ষিণ লেবাননের প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। নতুন এই চুক্তির ফলে ওই অঞ্চলে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লেবানন ও ইসরাইলি প্রতিনিধিদল এই আলোচনার পর ইতিবাচক বিবৃতি দিয়েছে। তবে ইসরাইল দাবি করেছে, দীর্ঘমেয়াদী শান্তির জন্য হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ জরুরি। অন্যদিকে লেবানন সরকার সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটিয়ে জনজীবন স্বাভাবিক করার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট বিভাগে জুন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল ২৯ প্রাণ, শীর্ষে সুনামগঞ্জ

ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ল আরও ৪৫ দিন

আপডেট সময় : ০৯:২৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বাড়ানোর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত দুই দিনের নিবিড় আলোচনা শেষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাত থামানোর প্রক্রিয়াটি আরও কিছুদিনের জন্য দীর্ঘায়িত হলো।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই আলোচনাকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বলে বর্ণনা করেছে। গত মাসে ঘোষিত প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই নতুন ঘোষণা এল। উল্লেখ্য, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে দক্ষিণ লেবাননের প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। নতুন এই চুক্তির ফলে ওই অঞ্চলে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লেবানন ও ইসরাইলি প্রতিনিধিদল এই আলোচনার পর ইতিবাচক বিবৃতি দিয়েছে। তবে ইসরাইল দাবি করেছে, দীর্ঘমেয়াদী শান্তির জন্য হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ জরুরি। অন্যদিকে লেবানন সরকার সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটিয়ে জনজীবন স্বাভাবিক করার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।