ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের, ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’ কি আসছে?

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে একটি নতুন সামরিক অভিযান শুরু করার কথা বিবেচনা করছে, যার সাংকেতিক নাম হতে পারে ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’। এনবিসি নিউজ মঙ্গলবার এমন তথ্য জানিয়েছে। এই পদক্ষেপটি মূলত বর্তমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে কার্যকর হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। যদি পুনরায় সামরিক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে অভিযানের নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ থেকে পরিবর্তন করে ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’ রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এনবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনার সুবিধার্থে এপ্রিলের শুরুতে ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল। তবে পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘এপিক ফিউরি’ এখনো সক্রিয় রয়েছে এবং বর্তমান যুদ্ধবিরতি শুধু বড় ধরনের সামরিক অভিযান স্থগিত রেখেছে। এই বিষয়ে পেন্টাগন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা এখনো বিদ্যমান। তেহরান পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ‘ন্যূনতম গ্যারান্টি’ পূরণ না করা পর্যন্ত নতুন কোনো আলোচনায় জড়িত হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৩ ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্ত অব্যাহত

ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের, ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’ কি আসছে?

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে একটি নতুন সামরিক অভিযান শুরু করার কথা বিবেচনা করছে, যার সাংকেতিক নাম হতে পারে ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’। এনবিসি নিউজ মঙ্গলবার এমন তথ্য জানিয়েছে। এই পদক্ষেপটি মূলত বর্তমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে কার্যকর হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসন ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। যদি পুনরায় সামরিক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে অভিযানের নাম ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ থেকে পরিবর্তন করে ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’ রাখার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এনবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনার সুবিধার্থে এপ্রিলের শুরুতে ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল। তবে পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘এপিক ফিউরি’ এখনো সক্রিয় রয়েছে এবং বর্তমান যুদ্ধবিরতি শুধু বড় ধরনের সামরিক অভিযান স্থগিত রেখেছে। এই বিষয়ে পেন্টাগন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা এখনো বিদ্যমান। তেহরান পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ‘ন্যূনতম গ্যারান্টি’ পূরণ না করা পর্যন্ত নতুন কোনো আলোচনায় জড়িত হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।