ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের অনুমোদন, শুরু হচ্ছে অবসায়ন প্রক্রিয়া

দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আগামী জুলাই থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হচ্ছে সেগুলো হলো—এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ধরে ঋণের অর্থ আদায় করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানগুলো আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতেও ব্যর্থ হচ্ছে। ব্যাংক রেজুলেশন আইনের আওতায় এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বন্ধ বা অবসায়ন করা হবে এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালককে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যক্তি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এ জন্য আগামী বাজেটে অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেছে। এর আগে, গত বছরের মে মাসে উচ্চ খেলাপি ঋণ ও আমানত ফেরতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০টি এনবিএফআইকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদকে বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের অনুমোদন, শুরু হচ্ছে অবসায়ন প্রক্রিয়া

আপডেট সময় : ১১:০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আগামী জুলাই থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হচ্ছে সেগুলো হলো—এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ধরে ঋণের অর্থ আদায় করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানগুলো আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতেও ব্যর্থ হচ্ছে। ব্যাংক রেজুলেশন আইনের আওতায় এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বন্ধ বা অবসায়ন করা হবে এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালককে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যক্তি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এ জন্য আগামী বাজেটে অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেছে। এর আগে, গত বছরের মে মাসে উচ্চ খেলাপি ঋণ ও আমানত ফেরতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০টি এনবিএফআইকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।