ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ভোলার দৌলতখানে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১২

ভোলার দৌলতখানে একটি দোকানঘরের মালিকানা ও দখল নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার জুমার নামাজের আগে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের মিয়ার হাটে ঘটে যাওয়া এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মিয়ার হাটের একটি দোকানঘর নিয়ে সাখাওয়াত হোসেন ও ফরিদ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সাখাওয়াত হোসেন ওই ঘরে কয়েক যুগ ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসলেও ফরিদ গ্রুপ সেটিকে নিজেদের দাবি করে আসছিল। শুক্রবার সকালে সাখাওয়াত ঘরটিতে সংস্কার কাজ শুরু করলে ফরিদ ও তার লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

আহতদের মধ্যে ৮ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ফরিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। দৌলতখান থানা পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান: শান্তি প্রক্রিয়ায় দীর্ঘমেয়াদী অঙ্গীকার

ভোলার দৌলতখানে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১২

আপডেট সময় : ০১:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ভোলার দৌলতখানে একটি দোকানঘরের মালিকানা ও দখল নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার জুমার নামাজের আগে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের মিয়ার হাটে ঘটে যাওয়া এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মিয়ার হাটের একটি দোকানঘর নিয়ে সাখাওয়াত হোসেন ও ফরিদ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। সাখাওয়াত হোসেন ওই ঘরে কয়েক যুগ ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসলেও ফরিদ গ্রুপ সেটিকে নিজেদের দাবি করে আসছিল। শুক্রবার সকালে সাখাওয়াত ঘরটিতে সংস্কার কাজ শুরু করলে ফরিদ ও তার লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

আহতদের মধ্যে ৮ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ফরিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। দৌলতখান থানা পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।