ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি-বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে। আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে এই নতুন সময়সূচি কার্যকর হবে, যেখানে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এতে অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে মোট সাত ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই দিন থেকে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্যও আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এই নতুন সিদ্ধান্তের পাশাপাশি, সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখা এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো দেশের জ্বালানি আমদানির উপর নির্ভরতা কমাতে এবং সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাতিলের হুঁশিয়ারি ইরানের

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি-বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা

আপডেট সময় : ০১:০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে। আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে এই নতুন সময়সূচি কার্যকর হবে, যেখানে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এতে অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে মোট সাত ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই দিন থেকে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্যও আলাদা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এই নতুন সিদ্ধান্তের পাশাপাশি, সন্ধ্যা ৬টার পর শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখা এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো দেশের জ্বালানি আমদানির উপর নির্ভরতা কমাতে এবং সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।