ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর চর দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে বড় ধরনের অভিযানে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ অভিযান চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। ফেরিঘাট সংলগ্ন দক্ষিণ পাশের চরের অবৈধ দখলদারদের সরিয়ে নিতে উপজেলা ভূমি অফিসের তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকলেও প্রশাসনের এই উদ্যোগ নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একদিকে উচ্ছেদ অভিযান চললেও তার মাত্র কয়েক গজ দূরেই নতুন করে ঘর তোলার কাজ শুরু করেছেন প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক নেতা। স্থানীয়রা একে প্রশাসনের দ্বিমুখী আচরণ হিসেবে দেখছেন। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এর আগে গণমাধ্যমে এই চর দখলের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশাসনের টনক নড়ে। প্রভাবশালী চক্রের নদী দখল ও সাধারণ মানুষের হয়রানির বিষয়টি সামনে আসায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযান সংশ্লিষ্টদের ওপর মহলের চাপের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূমি কর্মকর্তাদের কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ

বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর চর দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে বড় ধরনের অভিযানে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ অভিযান চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। ফেরিঘাট সংলগ্ন দক্ষিণ পাশের চরের অবৈধ দখলদারদের সরিয়ে নিতে উপজেলা ভূমি অফিসের তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকলেও প্রশাসনের এই উদ্যোগ নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, একদিকে উচ্ছেদ অভিযান চললেও তার মাত্র কয়েক গজ দূরেই নতুন করে ঘর তোলার কাজ শুরু করেছেন প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক নেতা। স্থানীয়রা একে প্রশাসনের দ্বিমুখী আচরণ হিসেবে দেখছেন। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এর আগে গণমাধ্যমে এই চর দখলের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর প্রশাসনের টনক নড়ে। প্রভাবশালী চক্রের নদী দখল ও সাধারণ মানুষের হয়রানির বিষয়টি সামনে আসায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযান সংশ্লিষ্টদের ওপর মহলের চাপের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলেও জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূমি কর্মকর্তাদের কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে।