ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও নতুন আগামীর আহ্বান

পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বলেন, নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমাদের উচিত সব সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতা ত্যাগ করে মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যাওয়া। অতীতের সব গ্লানি ও সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে আগামীর সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

তারেক রহমান তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। এটি আমাদের কৃষি ও লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলো আমাদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে তুলে ধরে এবং জাতীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করে। দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষি, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও নতুন আগামীর আহ্বান

আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় বলেন, নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমাদের উচিত সব সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতা ত্যাগ করে মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যাওয়া। অতীতের সব গ্লানি ও সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে আগামীর সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

তারেক রহমান তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। এটি আমাদের কৃষি ও লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলো আমাদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে তুলে ধরে এবং জাতীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করে। দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষি, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।