ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়রকে দায়িত্ব নিতে বাধা দেওয়ার হুমকি, নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা রিপাবলিকানদের

মামদানি নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই জয়ী হয়েছেন। কিন্তু তারপরও, তার বিরুদ্ধে যে বাধাগুলো আসছে, তা তিনি শেষ পর্যন্ত পার করতে পারবেন কিনা— এই প্রশ্ন এখন অনেকের মনেই।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন যে, মামদানি যদি নির্বাচনে জেতেন, তবে তিনি নিউইয়র্ক সিটির জন্য আসা ফেডারেল তহবিল (কেন্দ্রীয় বরাদ্দ) বন্ধ করে দেবেন।

ট্রাম্প মামদানির নাগরিকত্ব নিয়ে বিভ্রান্তিকর সব প্রশ্নের সাথে সুর মিলিয়ে তাকে মিথ্যাভাবে ‘কমিউনিস্ট’ হিসেবেও তকমা দিয়েছেন। এদিকে, কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা মামদানির নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়াটি তদন্ত করার আহ্বান জানিয়ে তার মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল এবং তাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার দাবি তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, মামদানি ‘কমিউনিস্ট’ এবং তিনি ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপ’ সমর্থন করেছেন। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

রিপাবলিকান প্রতিনিধি অ্যান্ডি ওগলস গত ২৯ অক্টোবর এক বিবৃতিতে বলেছেন, “যদি মামদানি তার নাগরিকত্বের কাগজপত্রে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন, তবে তিনি নাগরিক হওয়ারই যোগ্য নন এবং অবশ্যই নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হওয়ারও যোগ্য নন।” তিনি আরও বলেন, “একটি মহান আমেরিকান শহর এমন একজনের হাতে যেতে চলেছে, যিনি প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী মতাদর্শকে সমর্থন করেছেন।” ওগলস মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে মামদানির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করারও আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, ফ্লোরিডার আরেক রিপাবলিকান প্রতিনিধি র‌্যান্ডি ফাইন মন্তব্য করেছেন, “বর্বররা আর দরজার বাইরে নেই, তারা এখন ঘরের ভেতরেই ঢুকে পড়েছে। মামদানি মাত্র আট বছর আগে এখানে এসে নাগরিকত্ব পেয়েছে। সে নাগরিকত্ব পাওয়ার মানদণ্ডই পূরণ করেনি।”

তবে ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা ‘পলিটিফ্যাক্ট’ জানিয়েছে, মামদানি তার নাগরিকত্বের আবেদনপত্রে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন— এমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মামদানি ১৯৯৮ সালে মাত্র সাত বছর বয়সে উগান্ডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং ২০১৮ সালে তিনি নাগরিকত্ব লাভ করেন। মার্কিন আইন অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে নাগরিকত্ব পেতে হলে সাধারণত দেশটিতে আইনত পাঁচ বছর স্থায়ীভাবে বসবাস করতে হয়। নাগরিকত্ব বাতিল করতে হলে তা কেবল আদালতের আদেশের মাধ্যমেই সম্ভব। ইতিহাসে এমন ঘটনা খুবই বিরল— যেমনটা দেখা গেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া নাৎসিদের ক্ষেত্রে, অথবা সন্ত্রাসবাদের সাথে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ জেরেমি ম্যাককিনি বলেছেন, “নাগরিকত্ব বাতিল করা একটি চরম এবং খুবই বিরল প্রক্রিয়া। এটা প্রমাণ করতে হলে সরকারকে ‘পরিষ্কার, অখণ্ড ও বিশ্বাসযোগ্য’ প্রমাণ হাজির করতে হয়।” তাদের এটা প্রমাণ করতে হবে যে, আবেদনপত্রে এমন কোনো মিথ্যা তথ্য ছিল, যা নাগরিকত্ব পাওয়ার ফলাফলকেই বদলে দিত। কিন্তু মামদানির ক্ষেত্রে এমন কোনো প্রমাণ নেই। মামদানির নাগরিকত্ব নিয়ে প্রথম প্রশ্ন তোলা শুরু হয় এই গ্রীষ্মে, যখন তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে মেয়র প্রার্থী হন। সেই জুনে ওগলস বিচার বিভাগকে একটি চিঠি দিয়ে মামদানির বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করার অনুরোধ করেছিলেন।

তিনি (ওগলস) অভিযোগ করেন যে, মামদানি ‘সন্ত্রাসবাদের প্রতি তার সমর্থন লুকিয়ে’ নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি মামদানির ২০১৭ সালের একটি র‌্যাপ গানের কথা তুলে ধরেন, যেখানে মামদানি ‘হলি ল্যান্ড ফাইভ’-এর সমর্থনে গান লিখেছিলেন। এই ‘হলি ল্যান্ড ফাইভ’ হলো পাঁচজন মুসলিম ব্যক্তি, যাদের ‘হলি ল্যান্ড ফাউন্ডেশন’ নামে একটি দাতব্য সংস্থা পরিচালনার মাধ্যমে হামাসকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে ২০০৮ সালে দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। যদিও অনেক আইনজীবীই সেই মামলার প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ওগলস এবং ফাইন আরও অভিযোগ করেছেন যে, মামদানি তার ‘ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা’ (ডিএসএ)-এর সদস্যপদের কথা নাগরিকত্বের আবেদনপত্রে উল্লেখ করেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিএসএ কোনো কমিউনিস্ট পার্টি নয়।

এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হার্ভি ক্লেয়ারের মতে, “ডেমোক্রেটিক সমাজতন্ত্রীরা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রকে সমর্থন করেন, যা কমিউনিজম বা সাম্যবাদের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা।”

অভিবাসন আইনজীবী ম্যাককিনিও বলেছেন, “ডিএসএ-এর সদস্যপদ থাকা নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধাই নয়। তাছাড়া, বৈধ কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের নাম উল্লেখ না করাটাও এমন কোনো প্রতারণা নয়, যা আবেদন বাতিলের কারণ হতে পারে।”

নির্বাচনী প্রচারে এই ধরনের মুসলিম-বিদ্বেষী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ‘কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স’ (কেয়ার)। তারা মামদানির নাগরিকত্ব বাতিলের এই দাবিকে ‘বর্ণবাদী ও ইসলামভীতিপ্রসূত’ (ইসলামোফোবিক) বলে আখ্যা দিয়েছে। এদিকে, অক্টোবরে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মামদানি নিজেও বলেছিলেন, “ইসলামোফোবিয়া (ইসলামভীতি) এই দেশের রাজনীতির এক স্থায়ী অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়রকে দায়িত্ব নিতে বাধা দেওয়ার হুমকি, নাগরিকত্ব বাতিলের চেষ্টা রিপাবলিকানদের

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

মামদানি নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই জয়ী হয়েছেন। কিন্তু তারপরও, তার বিরুদ্ধে যে বাধাগুলো আসছে, তা তিনি শেষ পর্যন্ত পার করতে পারবেন কিনা— এই প্রশ্ন এখন অনেকের মনেই।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন যে, মামদানি যদি নির্বাচনে জেতেন, তবে তিনি নিউইয়র্ক সিটির জন্য আসা ফেডারেল তহবিল (কেন্দ্রীয় বরাদ্দ) বন্ধ করে দেবেন।

ট্রাম্প মামদানির নাগরিকত্ব নিয়ে বিভ্রান্তিকর সব প্রশ্নের সাথে সুর মিলিয়ে তাকে মিথ্যাভাবে ‘কমিউনিস্ট’ হিসেবেও তকমা দিয়েছেন। এদিকে, কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা মামদানির নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়াটি তদন্ত করার আহ্বান জানিয়ে তার মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল এবং তাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার দাবি তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, মামদানি ‘কমিউনিস্ট’ এবং তিনি ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপ’ সমর্থন করেছেন। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

রিপাবলিকান প্রতিনিধি অ্যান্ডি ওগলস গত ২৯ অক্টোবর এক বিবৃতিতে বলেছেন, “যদি মামদানি তার নাগরিকত্বের কাগজপত্রে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকেন, তবে তিনি নাগরিক হওয়ারই যোগ্য নন এবং অবশ্যই নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হওয়ারও যোগ্য নন।” তিনি আরও বলেন, “একটি মহান আমেরিকান শহর এমন একজনের হাতে যেতে চলেছে, যিনি প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী মতাদর্শকে সমর্থন করেছেন।” ওগলস মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে মামদানির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করারও আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, ফ্লোরিডার আরেক রিপাবলিকান প্রতিনিধি র‌্যান্ডি ফাইন মন্তব্য করেছেন, “বর্বররা আর দরজার বাইরে নেই, তারা এখন ঘরের ভেতরেই ঢুকে পড়েছে। মামদানি মাত্র আট বছর আগে এখানে এসে নাগরিকত্ব পেয়েছে। সে নাগরিকত্ব পাওয়ার মানদণ্ডই পূরণ করেনি।”

তবে ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা ‘পলিটিফ্যাক্ট’ জানিয়েছে, মামদানি তার নাগরিকত্বের আবেদনপত্রে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন— এমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মামদানি ১৯৯৮ সালে মাত্র সাত বছর বয়সে উগান্ডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং ২০১৮ সালে তিনি নাগরিকত্ব লাভ করেন। মার্কিন আইন অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে নাগরিকত্ব পেতে হলে সাধারণত দেশটিতে আইনত পাঁচ বছর স্থায়ীভাবে বসবাস করতে হয়। নাগরিকত্ব বাতিল করতে হলে তা কেবল আদালতের আদেশের মাধ্যমেই সম্ভব। ইতিহাসে এমন ঘটনা খুবই বিরল— যেমনটা দেখা গেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া নাৎসিদের ক্ষেত্রে, অথবা সন্ত্রাসবাদের সাথে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ জেরেমি ম্যাককিনি বলেছেন, “নাগরিকত্ব বাতিল করা একটি চরম এবং খুবই বিরল প্রক্রিয়া। এটা প্রমাণ করতে হলে সরকারকে ‘পরিষ্কার, অখণ্ড ও বিশ্বাসযোগ্য’ প্রমাণ হাজির করতে হয়।” তাদের এটা প্রমাণ করতে হবে যে, আবেদনপত্রে এমন কোনো মিথ্যা তথ্য ছিল, যা নাগরিকত্ব পাওয়ার ফলাফলকেই বদলে দিত। কিন্তু মামদানির ক্ষেত্রে এমন কোনো প্রমাণ নেই। মামদানির নাগরিকত্ব নিয়ে প্রথম প্রশ্ন তোলা শুরু হয় এই গ্রীষ্মে, যখন তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে মেয়র প্রার্থী হন। সেই জুনে ওগলস বিচার বিভাগকে একটি চিঠি দিয়ে মামদানির বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করার অনুরোধ করেছিলেন।

তিনি (ওগলস) অভিযোগ করেন যে, মামদানি ‘সন্ত্রাসবাদের প্রতি তার সমর্থন লুকিয়ে’ নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি মামদানির ২০১৭ সালের একটি র‌্যাপ গানের কথা তুলে ধরেন, যেখানে মামদানি ‘হলি ল্যান্ড ফাইভ’-এর সমর্থনে গান লিখেছিলেন। এই ‘হলি ল্যান্ড ফাইভ’ হলো পাঁচজন মুসলিম ব্যক্তি, যাদের ‘হলি ল্যান্ড ফাউন্ডেশন’ নামে একটি দাতব্য সংস্থা পরিচালনার মাধ্যমে হামাসকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে ২০০৮ সালে দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। যদিও অনেক আইনজীবীই সেই মামলার প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ওগলস এবং ফাইন আরও অভিযোগ করেছেন যে, মামদানি তার ‘ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা’ (ডিএসএ)-এর সদস্যপদের কথা নাগরিকত্বের আবেদনপত্রে উল্লেখ করেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিএসএ কোনো কমিউনিস্ট পার্টি নয়।

এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হার্ভি ক্লেয়ারের মতে, “ডেমোক্রেটিক সমাজতন্ত্রীরা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রকে সমর্থন করেন, যা কমিউনিজম বা সাম্যবাদের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি ধারণা।”

অভিবাসন আইনজীবী ম্যাককিনিও বলেছেন, “ডিএসএ-এর সদস্যপদ থাকা নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধাই নয়। তাছাড়া, বৈধ কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের নাম উল্লেখ না করাটাও এমন কোনো প্রতারণা নয়, যা আবেদন বাতিলের কারণ হতে পারে।”

নির্বাচনী প্রচারে এই ধরনের মুসলিম-বিদ্বেষী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ‘কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স’ (কেয়ার)। তারা মামদানির নাগরিকত্ব বাতিলের এই দাবিকে ‘বর্ণবাদী ও ইসলামভীতিপ্রসূত’ (ইসলামোফোবিক) বলে আখ্যা দিয়েছে। এদিকে, অক্টোবরে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মামদানি নিজেও বলেছিলেন, “ইসলামোফোবিয়া (ইসলামভীতি) এই দেশের রাজনীতির এক স্থায়ী অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”