ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে দুই পক্ষের গোলাগুলি, আহত ৪: উদ্ধার অস্ত্র ও গুলি

চট্টগ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-ঘনিষ্ঠ দুটি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় শটগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। তবে, অভিযানের খবর পেয়ে সন্ত্রাসী মো. ফারুক হোসেন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার রাত ১০টার দিকে নগরের বাকলিয়া থানার মিয়া খান নগর এলাকার একটি ময়দার মিলের সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত চারজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ফাহিম নামে ১২ বছরের একটি শিশুও রয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের মতে, আহতদের প্রত্যেকের পায়ে ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী মোরশেদ খানের অনুসারীরা তার প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। মোরশেদ খান নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন এবং নগর পুলিশের তৈরি করা ৩০০ দুষ্কৃতকারীর তালিকায় তার নাম রয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, মোরশেদ খান গত ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে এলাকায় ফিরে আসেন। তার প্রত্যাবর্তনের পর প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকত তাকে মারধর করে এলাকাছাড়া করে। এরই জের ধরে মোরশেদ খানের অনুসারীরা শনিবার প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। তবে, প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও সাধারণ মানুষ সংঘর্ষের শিকার হন।

এ বিষয়ে পুলিশের দক্ষিণের উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, গোলাগুলির পর পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ফারুক হোসেন নামে একজনের বাসা থেকে একটি দেশীয় শর্টগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। তবে, অভিযানের খবর পেয়ে সে পালিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, আধিপত্য নিয়ে এই সংঘর্ষে চারজন আহত হয়েছেন এবং এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবন সীমান্তে বিএসএফের পুশইন প্রচেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির কড়া নজরদারি

চট্টগ্রামে দুই পক্ষের গোলাগুলি, আহত ৪: উদ্ধার অস্ত্র ও গুলি

আপডেট সময় : ০২:৩৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-ঘনিষ্ঠ দুটি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় শটগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। তবে, অভিযানের খবর পেয়ে সন্ত্রাসী মো. ফারুক হোসেন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার রাত ১০টার দিকে নগরের বাকলিয়া থানার মিয়া খান নগর এলাকার একটি ময়দার মিলের সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত চারজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ফাহিম নামে ১২ বছরের একটি শিশুও রয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের মতে, আহতদের প্রত্যেকের পায়ে ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী মোরশেদ খানের অনুসারীরা তার প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। মোরশেদ খান নিজেকে বিএনপি নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন এবং নগর পুলিশের তৈরি করা ৩০০ দুষ্কৃতকারীর তালিকায় তার নাম রয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, মোরশেদ খান গত ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে এলাকায় ফিরে আসেন। তার প্রত্যাবর্তনের পর প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকত তাকে মারধর করে এলাকাছাড়া করে। এরই জের ধরে মোরশেদ খানের অনুসারীরা শনিবার প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। তবে, প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও সাধারণ মানুষ সংঘর্ষের শিকার হন।

এ বিষয়ে পুলিশের দক্ষিণের উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, গোলাগুলির পর পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ফারুক হোসেন নামে একজনের বাসা থেকে একটি দেশীয় শর্টগান ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করেছে। তবে, অভিযানের খবর পেয়ে সে পালিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, আধিপত্য নিয়ে এই সংঘর্ষে চারজন আহত হয়েছেন এবং এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।