চলতি বছরের হজ পালনে অভূতপূর্ব দক্ষতা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ আগামী ২০২৬ সালের হজের সার্বিক সাফল্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই প্রশংসা আসে বুধবার সকালে সৌদি আরবের রিয়াদে ‘দ্য পিলগ্রিমস এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম সেন্টার’-এ বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর সাথে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে।
বৈঠকে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীর আন্তরিক নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং হাজীদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান। একই সাথে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সৌদি মন্ত্রী বিশেষ করে এবারের হজে বাংলাদেশের হাজীদের শৃঙ্খলা ও হজ ব্যবস্থাপনার দক্ষতার প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনগুলোতে সামগ্রিক হজ ব্যবস্থাপনার আরও উন্নয়নে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সহায়তা কামনা করেন। তিনি জানান, আগামী ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও সহজ করতে সৌদি সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বৈঠকে তুলে ধরেন।
সৌদি সরকারকে বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) সামগ্রিক হজ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব ও বৈপ্লবিক উন্নয়নের জন্য সৌদি সরকারকে বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিরাপত্তা, সুনিপুণ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, সুশৃঙ্খল ভিড় ব্যবস্থাপনা, আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মাশায়েরে হাজীদের উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে একটি চমৎকার ও ইবাদত-সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। এই সফল আয়োজনের জন্য তিনি সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি হজ মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। ধর্মমন্ত্রী আরও আশ্বস্ত করেন যে, আল্লাহর মেহমানদের সেবায় হজ ব্যবস্থাপনার যেকোনো আধুনিকায়নে বাংলাদেশ সবসময় সৌদি সরকারের পাশে থাকবে। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















