জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে এক ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশের (পুশইন) চেষ্টাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই উত্তেজনা শুধু বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, তা দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার বিকেলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে, যেখানে বাংলাদেশিদের প্রতিরোধের মুখে ভারতীয়রা পিছু হটতে বাধ্য হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছে বিএসএফ সদস্যরা এক ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হলেও, বিএসএফ সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে শূন্যরেখায় ফেলে রেখে যায়। শূন্যরেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তাকে বাধা দেয়। পরে তিনি আবার শূন্যরেখায় ফিরে যান।
এই ঘটনা নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও, কোনো পক্ষই ওই ব্যক্তিকে গ্রহণ করতে রাজি হয়নি। এরপর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং তা দুই দেশের জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। বিকেলে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে বাংলাদেশিদের প্রতিরোধের মুখে ভারতীয়রা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। স্থানীয়রা জানান, ভারতের বিএসএফ প্রতিনিয়ত পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবিকে সহযোগিতা করতে গেলে তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিকেলে ভারতের কয়েকজন যুবক বাংলাদেশের দিকে ঢিল ছুড়লে স্থানীয়রাও পাল্টা ঢিল ছুড়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, সীমান্তে শূন্যরেখা অতিক্রম না করার জন্য তিনি সকল নাগরিককে অনুরোধ করছেন। তিনি স্থানীয়দের প্রতি বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 




















