ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নাটোরের গুরুদাসপুরে বৃদ্ধার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার, সুদের কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

নাটোরের গুরুদাসপুরে জাহেরা বেগম (৭০) নামের এক বৃদ্ধার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের সোনাবাজুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত জাহেরা বেগম মৃত আবুল হোসেনের সহধর্মিণী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজ শয়নকক্ষে বৃদ্ধার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নিহত বৃদ্ধার ছেলে জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ফরিদা বেগমের চিকিৎসার জন্য তিনি এলাকার আলাল, খবির ও হাশেমের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা সুদ নিয়েছিলেন। সুদের টাকার জন্য এই তিন ব্যক্তি প্রতিনিয়ত তাদের বাড়িতে এসে জাহেরা বেগমকে টাকার জন্য চাপ দিতেন এবং হুমকিও দিতেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ছেলে ও ছেলের বউ বাড়িতে এসে শয়নকক্ষের মেঝেতে মাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এই ঘটনার সঙ্গে সুদের কারবারিরা জড়িত থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে এক হাজার হিমাগার তৈরির মহাপরিকল্পনা সরকারের

নাটোরের গুরুদাসপুরে বৃদ্ধার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার, সুদের কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৩৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নাটোরের গুরুদাসপুরে জাহেরা বেগম (৭০) নামের এক বৃদ্ধার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের সোনাবাজুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত জাহেরা বেগম মৃত আবুল হোসেনের সহধর্মিণী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজ শয়নকক্ষে বৃদ্ধার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নিহত বৃদ্ধার ছেলে জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ফরিদা বেগমের চিকিৎসার জন্য তিনি এলাকার আলাল, খবির ও হাশেমের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা সুদ নিয়েছিলেন। সুদের টাকার জন্য এই তিন ব্যক্তি প্রতিনিয়ত তাদের বাড়িতে এসে জাহেরা বেগমকে টাকার জন্য চাপ দিতেন এবং হুমকিও দিতেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ছেলে ও ছেলের বউ বাড়িতে এসে শয়নকক্ষের মেঝেতে মাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এই ঘটনার সঙ্গে সুদের কারবারিরা জড়িত থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।