ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

সাত দিনে সড়কে ঝরল ২০৪ প্রাণ: সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানে ব্যাপক গরমিল

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে দেশের সড়কগুলোতে প্রাণহানির মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। গত ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার তথ্যে বড় ধরণের বৈসাদৃশ্য দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হিসেবে এই সময়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১০০ জন, তবে বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের দাবি, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা অন্তত ২০৪ জন।

সরকারি তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেক বড় দুর্ঘটনাও বিআরটিএ-র তালিকায় স্থান পায়নি। উদাহরণস্বরূপ, কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে ট্রেন-বাস সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনাটি সরকারি পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়নি। পরিসংখ্যানে এমন গরমিল জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের চাপ ছিল অত্যন্ত বেশি, যার একটি বড় অংশই মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত যানবাহনের শিকার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গত এক দশকের মধ্যে ২০২৪ সালের ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও সরকারিভাবে ছুটির সময়সীমা শেষ হয়েছে, তবুও অনেক প্রতিষ্ঠানে ছুটি চলমান থাকায় সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এখনও কাটেনি। সঠিক তথ্য ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে প্রতিবছরই উৎসবের আনন্দ বিষাদে রূপ নিচ্ছে বলে মনে করছেন নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের কর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিনেমার গল্পকেও হার মানালো ছৈয়দ আহাম্মদের ফিরে আসা: ৫৪ বছর পর আপন ঠিকানায়

সাত দিনে সড়কে ঝরল ২০৪ প্রাণ: সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানে ব্যাপক গরমিল

আপডেট সময় : ০১:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে দেশের সড়কগুলোতে প্রাণহানির মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। গত ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার তথ্যে বড় ধরণের বৈসাদৃশ্য দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হিসেবে এই সময়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১০০ জন, তবে বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের দাবি, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা অন্তত ২০৪ জন।

সরকারি তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেক বড় দুর্ঘটনাও বিআরটিএ-র তালিকায় স্থান পায়নি। উদাহরণস্বরূপ, কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে ট্রেন-বাস সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনাটি সরকারি পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়নি। পরিসংখ্যানে এমন গরমিল জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের চাপ ছিল অত্যন্ত বেশি, যার একটি বড় অংশই মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত যানবাহনের শিকার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গত এক দশকের মধ্যে ২০২৪ সালের ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও সরকারিভাবে ছুটির সময়সীমা শেষ হয়েছে, তবুও অনেক প্রতিষ্ঠানে ছুটি চলমান থাকায় সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি এখনও কাটেনি। সঠিক তথ্য ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে প্রতিবছরই উৎসবের আনন্দ বিষাদে রূপ নিচ্ছে বলে মনে করছেন নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের কর্মীরা।