ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

সাংবাদিক ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাইবার মামলা করলেই জেল-জরিমানা, পাস হলো নতুন আইন

সাংবাদিক, ব্লগার কিংবা সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাইবার মামলা দায়েরের পথ বন্ধ হচ্ছে। নতুন পাস হওয়া ‘সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬’-এ কঠোর বিধান রাখা হয়েছে যে, কোনো অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগী ব্যক্তি সরাসরি মূল অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন। এমনকি মিথ্যা মামলায় সহায়তা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধেও মূল অপরাধীর সমান দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া এই আইনে আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে সরাসরি এবং স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ রহিত করে এই পূর্ণাঙ্গ আইনটি কার্যকর করা হলো। আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করার অশুভ উদ্দেশ্যে ন্যায্য কারণ ছাড়াই মামলা করেন, তবে তিনি সেই ধারারই সর্বোচ্চ শাস্তি পাবেন যে ধারায় তিনি অভিযোগ এনেছিলেন।

সংসদে বিলটি পাসের সময় মুক্তমত দমনে এই আইনের সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগের বিষয়টি আলোচিত হয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, দণ্ডবিধির ২১১ ধারার জটিলতা এড়িয়ে সরাসরি ট্রাইব্যুনালে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রাখায় মিথ্যা মামলার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিনেমার গল্পকেও হার মানালো ছৈয়দ আহাম্মদের ফিরে আসা: ৫৪ বছর পর আপন ঠিকানায়

সাংবাদিক ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাইবার মামলা করলেই জেল-জরিমানা, পাস হলো নতুন আইন

আপডেট সময় : ১০:০৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

সাংবাদিক, ব্লগার কিংবা সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাইবার মামলা দায়েরের পথ বন্ধ হচ্ছে। নতুন পাস হওয়া ‘সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬’-এ কঠোর বিধান রাখা হয়েছে যে, কোনো অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগী ব্যক্তি সরাসরি মূল অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন। এমনকি মিথ্যা মামলায় সহায়তা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধেও মূল অপরাধীর সমান দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে সম্প্রতি পাস হওয়া এই আইনে আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে সরাসরি এবং স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ রহিত করে এই পূর্ণাঙ্গ আইনটি কার্যকর করা হলো। আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করার অশুভ উদ্দেশ্যে ন্যায্য কারণ ছাড়াই মামলা করেন, তবে তিনি সেই ধারারই সর্বোচ্চ শাস্তি পাবেন যে ধারায় তিনি অভিযোগ এনেছিলেন।

সংসদে বিলটি পাসের সময় মুক্তমত দমনে এই আইনের সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগের বিষয়টি আলোচিত হয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, দণ্ডবিধির ২১১ ধারার জটিলতা এড়িয়ে সরাসরি ট্রাইব্যুনালে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রাখায় মিথ্যা মামলার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।