বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। হাভিয়ের কাবরেরার উত্তরসূরি চূড়ান্ত করতে জাতীয় টিমস কমিটি রবিবারও সভা করেছে। তবে নতুন বিদেশি কোচের নাম ১৫ মের আগে চূড়ান্ত হচ্ছে না।
রবিবার ফর্টিস ডাউন টাউনে জাতীয় টিমস কমিটির সভা শেষে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল কোচ প্রসঙ্গে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, “আমরা ১১ জনকে অনলাইন ইন্টারভিউতে ডেকেছিলাম। এই আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। ১৫ মের মধ্যে আমরা এটি সমাপ্ত করবো এবং বাংলাদেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।”
কোনো নির্দিষ্ট কোচের নাম প্রসঙ্গে সরাসরি উত্তর না দিয়ে তাবিথ আউয়াল জানান, “আমরা কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে কথা বলছি না, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ব্যাপারেও আমরা উত্তর দিচ্ছি না। আমরা শুধু এতটুকুই বলতে পারি যে— যাদের সঙ্গে আমরা কথা বলছি, সবাই কিন্তু উন্মুক্ত মনোভাবাপন্ন এবং আমরাও তাদের ওপর ইতিবাচক। ১৫ তারিখ সবারই একটি সময়সীমা ছিল। এর মধ্যে অনেকে হয়তো সুযোগ খোলা রাখবে, আমরা যেমন উন্মুক্ত রাখছি, ওরাও রাখছে। তবে ১৫ তারিখ পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে, যাতে আমরা স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজটি শেষ করতে পারি।”
কোচ নিয়ে বাফুফে সভাপতি আরও বলেন, “আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করছি। প্রতিটি আলোচনাই ক্ষেত্রবিশেষে ভিন্ন হচ্ছে। আমরা প্রতিটি কথোপকথন, প্রত্যেক সম্ভাব্য কোচের চাহিদা এবং তাদের আইডিয়াগুলো বিবেচনা করছি। আগামী দুই বছর বাংলাদেশ টিমকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো— সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা কাজগুলো করছি।”
কোচের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতি বলেন, “আমাদের নিশ্চয়ই একটি বাজেট আছে। সেই বাজেটের ভেতরে যদি সম্ভাব্য কোচের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে তো সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। যদি সেই বাজেট বাড়াতে হয়, আমরা আমাদের স্পনসরদের সঙ্গে কথা বলবো— এই বিষয়টিকে উন্মুক্ত রেখেছি। আমরা কিছু দাতা সংস্থার সঙ্গে কথা বলছি এবং আমরা আমাদের মাননীয় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলে রেখেছি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকেই নিতে হবে এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যদি কোনো সহযোগিতা আমাদের লাগে, এই প্রস্তাবও আমরা যেখানে দরকার সেখানে দেবো। আবারও বলছি— আমরা এই বিষয়ে খুবই উন্মুক্ত মনোভাবাপন্ন। আমরা দুই বছরের জন্য কোচ দেখছি।”
রিপোর্টারের নাম 
























