হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট থেকে ১৮ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। দুবাই থেকে আসা ওই ফ্লাইটের টয়লেট থেকে উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৬ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ পাচারের পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে সন্দেহভাজন তিন মেকানিক ও হেলপারের জব্দ করা মোবাইল ফোন থেকে।
গোয়েন্দা সংস্থা ও এভিয়েশন সিকিউরিটির বিশেষ তল্লাশিতে বিমানটির কার্গো কম্পার্টমেন্টের টয়লেটের প্যানেল থেকে ১৫৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিমানের প্রকৌশল বিভাগের তিন কর্মী—মেকানিক নূর-ইসলাম, আবুল হোসেন এবং হেলপার মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়েছিল। ডিউটি শেষ হওয়ার পরও তাদের অতিরিক্ত সময় কাজ করা তদন্তকারীদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জব্দকৃত মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিমানটি অবতরণের পর যাত্রীরা নেমে গেলে সেটি হ্যাঙ্গারে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল এবং সেখান থেকেই সুকৌশলে স্বর্ণের চালানটি বাইরে বের করার কথা ছিল। এই চক্রে বিমানের আরও অন্তত ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, যাদের মধ্যে পাইলট ও কেবিন ক্রু-ও রয়েছেন, তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে এবং তারা এখন সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলার তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে এবং বিমানের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো পেতে শুরু করেছেন। এই মামলার তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চলছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























