মানব পাচার মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এর আগে পল্টন থানার একটি মামলায় এক-এগারোর আলোচিত এই সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করে। এরপর আদালতে তার বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর নামে আটটিরও বেশি মামলা রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে দুদকেরও মামলা রয়েছে এবং সেগুলোর তদন্ত চলছে।
সোমবার দিবাগত রাতে বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার ১৫৩ নম্বর বাড়ি থেকে সাবেক এই লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ডিআইজি শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে।
২০০৭ সালে সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসির দায়িত্বে থাকা মাসুদ উদ্দিন, এক-এগারোর রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানের পর কথিত দুর্নীতিবিরোধী গুরুতর অপরাধ দমনসংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন। সেই সময়ে তিনি পর্দার আড়াল থেকে যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করতেন বলে জানা যায়।
২০০৬ সালের শেষ ভাগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ক্ষমতা ছাড়ার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন তীব্র হয়। জাতীয় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় আন্দোলনরত দলগুলো। এই পরিস্থিতিতে, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে জিম্মি করে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























