ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

সমুদ্রপথে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার করল নৌবাহিনী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের সমুদ্রসীমা এবং সমুদ্রপথে চলাচলকারী জ্বালানিবাহী জাহাজসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনা করে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন এলাকা, গভীর সমুদ্র এবং জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নৌবাহিনীর টহল ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে সুসংহত রাখতে তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থানরত এলএনজি, এলপিজি এবং পেট্রোল, ডিজেল ও জেট জ্বালানিসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির মূল উৎস ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও দ্রুতগামী বোট মোতায়েনের পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সমুদ্রপথে সার্বক্ষণিক টহল, আকাশ নজরদারি এবং সন্দেহজনক জাহাজ বা নৌযান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ নোঙর, চলাচল এবং বন্দরে প্রবেশ ও বহির্গমন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

নৌবাহিনী জানিয়েছে, সম্ভাব্য নাশকতা সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এবং দেশের জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থার সার্বিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করতেই এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, সম্ভাব্য নাশকতা, জলদস্যুতা, চোরাচালান বা অন্য কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অপারেশনাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্ট গার্ড, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দেশের সামুদ্রিক সীমান্ত, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদাবাজদের তালিকা করছে পুলিশ: নাম কাটাতে ৫-২০ লাখ টাকা ঘুষের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

সমুদ্রপথে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার করল নৌবাহিনী

আপডেট সময় : ০১:৫৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

দেশের সমুদ্রসীমা এবং সমুদ্রপথে চলাচলকারী জ্বালানিবাহী জাহাজসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনা করে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন এলাকা, গভীর সমুদ্র এবং জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নৌবাহিনীর টহল ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে সুসংহত রাখতে তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থানরত এলএনজি, এলপিজি এবং পেট্রোল, ডিজেল ও জেট জ্বালানিসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির মূল উৎস ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও দ্রুতগামী বোট মোতায়েনের পাশাপাশি মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সমুদ্রপথে সার্বক্ষণিক টহল, আকাশ নজরদারি এবং সন্দেহজনক জাহাজ বা নৌযান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ নোঙর, চলাচল এবং বন্দরে প্রবেশ ও বহির্গমন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

নৌবাহিনী জানিয়েছে, সম্ভাব্য নাশকতা সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এবং দেশের জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থার সার্বিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করতেই এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, সম্ভাব্য নাশকতা, জলদস্যুতা, চোরাচালান বা অন্য কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর বিশেষ অপারেশনাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্ট গার্ড, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দেশের সামুদ্রিক সীমান্ত, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।