ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

আ.লীগের সবচেয়ে বড় অপরাধ রাষ্ট্র ও পুলিশের ইউনিফর্মকে দলীয়করণ: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল গোটা রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করা, এমনকি পুলিশের ইউনিফর্মকেও একটি দলীয় বাহিনীতে রূপান্তর করা হয়েছিল। প্রেসক্লাবকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করার ফলে এই ধরনের সার্বজনীন প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের কাছে বিতর্কিত হয়ে পড়েছিল।’

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেসক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকার খুন, গুম এবং প্রতিষ্ঠানকে হত্যা করার দায়ে আজ জনগণের কাছে অপরাধী এবং তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে। কোনও প্রতিষ্ঠানকে যখন দলীয়করণ, ব্যক্তিকরণ বা পারিবারিকীকরণ করা হয়, তখন সেটি আর তার অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারে না। বিশেষ করে প্রেসক্লাবের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করাই ফ্যাসিবাদ।’

তিনি বলেন, ‘কোনও অপরাধকেই তামাদি হতে দেওয়া হবে না। প্রতিটি অপরাধীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। তবে জনগণের ম্যান্ডেট কেবল প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসা নেওয়ার জন্য নয়, বরং একটি টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি তৈরির জন্য। আইনের বাইরে কাউকে নিজের হাতে বিচারের দায়িত্ব তুলে নিতে দেওয়া হবে না।’

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আবু সুফিয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজে’র মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) সভাপতি  মো. শাহনেওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও মিয়া মোহাম্মদ আরিফ প্রমুখ।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটবল বিশ্বকাপের লড়াই শুরু আজ, চোখ এখন ৪৮ দেশের মহাযুদ্ধে

আ.লীগের সবচেয়ে বড় অপরাধ রাষ্ট্র ও পুলিশের ইউনিফর্মকে দলীয়করণ: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:২৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল গোটা রাষ্ট্রকে দলীয়করণ করা, এমনকি পুলিশের ইউনিফর্মকেও একটি দলীয় বাহিনীতে রূপান্তর করা হয়েছিল। প্রেসক্লাবকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করার ফলে এই ধরনের সার্বজনীন প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণের কাছে বিতর্কিত হয়ে পড়েছিল।’

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেসক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকার খুন, গুম এবং প্রতিষ্ঠানকে হত্যা করার দায়ে আজ জনগণের কাছে অপরাধী এবং তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈধতা হারিয়ে ফেলেছে। কোনও প্রতিষ্ঠানকে যখন দলীয়করণ, ব্যক্তিকরণ বা পারিবারিকীকরণ করা হয়, তখন সেটি আর তার অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারে না। বিশেষ করে প্রেসক্লাবের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করাই ফ্যাসিবাদ।’

তিনি বলেন, ‘কোনও অপরাধকেই তামাদি হতে দেওয়া হবে না। প্রতিটি অপরাধীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। তবে জনগণের ম্যান্ডেট কেবল প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসা নেওয়ার জন্য নয়, বরং একটি টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি তৈরির জন্য। আইনের বাইরে কাউকে নিজের হাতে বিচারের দায়িত্ব তুলে নিতে দেওয়া হবে না।’

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আবু সুফিয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজে’র মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) সভাপতি  মো. শাহনেওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও মিয়া মোহাম্মদ আরিফ প্রমুখ।