ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সামরিক ব্যয় নিয়ে মতবিরোধে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের জেরে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের কঠোর সমালোচনা করে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিলি অভিযোগ করেছেন যে বর্তমান বৈশ্বিক হুমকির মুখে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সরকার ও অর্থ মন্ত্রণালয় যথাযথ উদ্যোগ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ বরাদ্দে সরকার পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেয়নি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে অনীহা দেখিয়েছে।

জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে বাজেট সংক্রান্ত মতবিরোধের কারণে সরকারের বহুল আলোচিত ‘ডিফেন্স ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান’ গত বছর থেকেই আটকে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জন হিলির পদত্যাগ যুক্তরাজ্য সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি দেশের প্রতিরক্ষা নীতি ও সামরিক ব্যয় নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটবল বিশ্বকাপের লড়াই শুরু আজ, চোখ এখন ৪৮ দেশের মহাযুদ্ধে

সামরিক ব্যয় নিয়ে মতবিরোধে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধের জেরে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার-এর নেতৃত্বাধীন সরকারের কঠোর সমালোচনা করে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিলি অভিযোগ করেছেন যে বর্তমান বৈশ্বিক হুমকির মুখে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সরকার ও অর্থ মন্ত্রণালয় যথাযথ উদ্যোগ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ বরাদ্দে সরকার পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেয়নি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে অনীহা দেখিয়েছে।

জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে বাজেট সংক্রান্ত মতবিরোধের কারণে সরকারের বহুল আলোচিত ‘ডিফেন্স ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান’ গত বছর থেকেই আটকে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জন হিলির পদত্যাগ যুক্তরাজ্য সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি দেশের প্রতিরক্ষা নীতি ও সামরিক ব্যয় নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করতে পারে।