ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

অভিজ্ঞ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার মতে, প্রস্তাবিত বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটকে দেশের অর্থনীতির এক গণতান্ত্রিক, মানবিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অভিযাত্রা হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি মনে করেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে প্রণীত এই জনবান্ধব, জনকল্যাণমুখী ও ভিশনারি বাজেট জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার বহু বছর পর এমন একটি বাজেট প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে দেশের প্রায় সকল শ্রেণি-পেশা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। এটি একটি অত্যন্ত ইতিবাচক দিক বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে মাহদী আমিন আরও জানান, বাজেটে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, বিনিয়ন্ত্রণকরণ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী ও শিশু কল্যাণ, যোগাযোগ অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন – এই ১২টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় বাজেটে চাল, ডাল, মাছ, মাংস, চিনি, লবণ, তেল, মসলাসহ প্রায় প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করা। অতীতে বাজেট ঘোষণার পর প্রায়শই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেত, কিন্তু এবারের জনবান্ধব বাজেটে সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে সরকার আশাবাদী।

মাহদী আমিন আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্পের আলোকে শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার প্রতিটি স্তরে আরও সমতাভিত্তিক ও সর্বজনীন করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবাকে পৌঁছে দিতে হার্ট, কিডনি, চোখসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসেবা যতটা সম্ভব সুলভ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য সার, বীজ, সেচ, কীটনাশক ও বিমা সহজলভ্য করা হয়েছে। পাশাপাশি, টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার বিকাশে সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিশেষ সহায়তা ও প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি যোগ করেন, এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ প্রাপ্তি সহজ করা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর: পেনশনের সাথে গ্র্যাচুইটি সুবিধা

অভিজ্ঞ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার মতে, প্রস্তাবিত বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে

আপডেট সময় : ০৫:৫০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটকে দেশের অর্থনীতির এক গণতান্ত্রিক, মানবিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অভিযাত্রা হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি মনে করেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে প্রণীত এই জনবান্ধব, জনকল্যাণমুখী ও ভিশনারি বাজেট জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার বহু বছর পর এমন একটি বাজেট প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে দেশের প্রায় সকল শ্রেণি-পেশা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। এটি একটি অত্যন্ত ইতিবাচক দিক বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে মাহদী আমিন আরও জানান, বাজেটে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের লক্ষ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, বিনিয়ন্ত্রণকরণ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী ও শিশু কল্যাণ, যোগাযোগ অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন – এই ১২টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় বাজেটে চাল, ডাল, মাছ, মাংস, চিনি, লবণ, তেল, মসলাসহ প্রায় প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করা। অতীতে বাজেট ঘোষণার পর প্রায়শই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেত, কিন্তু এবারের জনবান্ধব বাজেটে সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে সরকার আশাবাদী।

মাহদী আমিন আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্পের আলোকে শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার প্রতিটি স্তরে আরও সমতাভিত্তিক ও সর্বজনীন করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবাকে পৌঁছে দিতে হার্ট, কিডনি, চোখসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসেবা যতটা সম্ভব সুলভ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য সার, বীজ, সেচ, কীটনাশক ও বিমা সহজলভ্য করা হয়েছে। পাশাপাশি, টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার বিকাশে সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিশেষ সহায়তা ও প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি যোগ করেন, এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ প্রাপ্তি সহজ করা।