ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নতুন অর্থবছরের বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি, ঋণনির্ভর অর্থনীতিতে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল বাজেট প্রস্তাব করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এই বিপুল পরিমাণ বাজেট ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য খাত থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের ঋণ দেশের অর্থনীতিতে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও, অর্থবছরের শুরু থেকে ১০ মে পর্যন্ত সরকার নিট ১ লাখ ৯ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই প্রবণতা আগামী অর্থবছরেও অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব: জিডিপির ১.০১ শতাংশ

নতুন অর্থবছরের বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি, ঋণনির্ভর অর্থনীতিতে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ০৪:৪১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল বাজেট প্রস্তাব করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এই বিপুল পরিমাণ বাজেট ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য খাত থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের ঋণ দেশের অর্থনীতিতে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও, অর্থবছরের শুরু থেকে ১০ মে পর্যন্ত সরকার নিট ১ লাখ ৯ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। এই প্রবণতা আগামী অর্থবছরেও অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।