ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

যশোরের চৌগাছায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ফেরিওয়ালাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

যশোরের চৌগাছায় জুয়েল হোসেন (৪০) নামে এক ফেরিওয়ালাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামের মসজিদ মোড়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত জুয়েল মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে এবং তিনি ভ্যানে করে বিভিন্ন এলাকায় কসমেটিকস বিক্রি করতেন। এই ঘটনায় জুয়েলের স্ত্রী মায়া খাতুন (৩৫) আহত হয়েছেন।

নিহতের স্ত্রীর অভিযোগ, স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে তার স্বামীর ওপর এই হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাবু হোসেন, সুমন হোসেন, ইদ্রিস আলী, নাহিদ হাসানসহ ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি তার স্বামীকে মারধর করে। তিনি প্রাণভিক্ষা চাইলেও তারা তা শোনেনি। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হলেও দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়নি, যার ফলে হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হয়েছে। থানা থেকে অল্প দূরত্বে ঘটনাটি ঘটলেও তাৎক্ষণিক পুলিশি হস্তক্ষেপ না থাকায় স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং উপস্থিতির বিলম্বের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে অর্থমন্ত্রীর ব্রিফকেসে কী থাকে? বাজেট উপস্থাপনের ঐতিহ্য

যশোরের চৌগাছায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ফেরিওয়ালাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

যশোরের চৌগাছায় জুয়েল হোসেন (৪০) নামে এক ফেরিওয়ালাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামের মসজিদ মোড়ে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত জুয়েল মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে এবং তিনি ভ্যানে করে বিভিন্ন এলাকায় কসমেটিকস বিক্রি করতেন। এই ঘটনায় জুয়েলের স্ত্রী মায়া খাতুন (৩৫) আহত হয়েছেন।

নিহতের স্ত্রীর অভিযোগ, স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে তার স্বামীর ওপর এই হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাবু হোসেন, সুমন হোসেন, ইদ্রিস আলী, নাহিদ হাসানসহ ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি তার স্বামীকে মারধর করে। তিনি প্রাণভিক্ষা চাইলেও তারা তা শোনেনি। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হলেও দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়নি, যার ফলে হাসপাতালে নিতে বিলম্ব হয়েছে। থানা থেকে অল্প দূরত্বে ঘটনাটি ঘটলেও তাৎক্ষণিক পুলিশি হস্তক্ষেপ না থাকায় স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং উপস্থিতির বিলম্বের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেছেন।