ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রাম আদালতের প্রচার: ইউএনও

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ড. বিপাশা হোসাইন ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রাম আদালতের প্রচার অভিযান পরিচালনা করেছেন। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট শামছুন মহসীন উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও বেলা ৩টার দিকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে নিয়ে প্রথমে একটি র‌্যালি বের করা হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গ্রাম আদালত বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৯০ শতাংশই ছিল স্কুলের শিক্ষার্থী।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) কাছিদা খাতুন জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেই স্কুলে এসেছিলেন এবং আগে থেকেই অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল। তিনি তাদের আদেশ পালন করেছেন মাত্র।

সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম মল্লিক এ বিষয়ে বলেন, গ্রাম আদালতে যেসব বিষয় মীমাংসা করা হয়, তা শিশু কেন্দ্রিক নয় বরং প্রাপ্তবয়স্কদের বিষয়।

এ প্রসঙ্গে কামারখন্দের ইউএনও ড. বিপাশা হোসাইন বলেন, স্কুল ছুটির বিষয়টি তাকে জানানো হয়নি বা তার জানা ছিল না। তিনি জানান, এক ঘণ্টা আগে ছুটি দেওয়া বড় কোনো ত্রুটি নয়।

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে এটি না করে ছুটির পরে করলে ভালো হতো। তিনি নির্দেশ দেন, এরপরে যেনো এভাবে প্রোগ্রাম না করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটবল বিশ্বকাপের লড়াই শুরু আজ, চোখ এখন ৪৮ দেশের মহাযুদ্ধে

ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রাম আদালতের প্রচার: ইউএনও

আপডেট সময় : ০৭:১৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ড. বিপাশা হোসাইন ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রাম আদালতের প্রচার অভিযান পরিচালনা করেছেন। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট শামছুন মহসীন উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও বেলা ৩টার দিকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে নিয়ে প্রথমে একটি র‌্যালি বের করা হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গ্রাম আদালত বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ৯০ শতাংশই ছিল স্কুলের শিক্ষার্থী।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) কাছিদা খাতুন জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেই স্কুলে এসেছিলেন এবং আগে থেকেই অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছিল। তিনি তাদের আদেশ পালন করেছেন মাত্র।

সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম মল্লিক এ বিষয়ে বলেন, গ্রাম আদালতে যেসব বিষয় মীমাংসা করা হয়, তা শিশু কেন্দ্রিক নয় বরং প্রাপ্তবয়স্কদের বিষয়।

এ প্রসঙ্গে কামারখন্দের ইউএনও ড. বিপাশা হোসাইন বলেন, স্কুল ছুটির বিষয়টি তাকে জানানো হয়নি বা তার জানা ছিল না। তিনি জানান, এক ঘণ্টা আগে ছুটি দেওয়া বড় কোনো ত্রুটি নয়।

সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে এটি না করে ছুটির পরে করলে ভালো হতো। তিনি নির্দেশ দেন, এরপরে যেনো এভাবে প্রোগ্রাম না করা হয়।