সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় নির্বাচনী সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশাকে প্রত্যাহারের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুর ২টায় উপজেলার তাজপুর বাজারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়। ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনকালীন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নামে সরকারি অর্থের অপচয় ও লুটপাট করা হয়েছে। তাদের দাবি, বর্তমান সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতেই পরিকল্পিতভাবে এই অনিয়ম করা হয়েছে। বক্তারা অনতিবিলম্বে এই দুর্নীতির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিতর্কিত ইউএনও মুনমুন নাহার আশাকে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংহতি নিয়ে রাজপথে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। একটি স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন নিশ্চিত করতে তারা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
উক্ত প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলার সাবেক সদস্য মাহফুজুর রহমান, সিলেট জেলা ছাত্রশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম, সাকিব আহমদ, সাধারণ শিক্ষার্থী আলভি রহমান, শেখ রাহি আহমদ এবং আকাশ আহমদসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা প্রশাসনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























