রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে রেঞ্জাধীন আট জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) কাছে একটি বিশেষ গোপনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে জামিনে মুক্তি পাওয়া আওয়ামী লীগসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো প্রভাবশালী বা সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় নেতাকর্মী জামিনে মুক্তি পেয়ে মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করতে পারেন এমন আশঙ্কা থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে পূর্বে দায়েরকৃত বা নতুন কোনো মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার অথবা ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ বা বর্তমানে কার্যক্রম স্থগিত থাকা সংগঠনগুলোর সক্রিয় কর্মীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের কথা বিশেষভাবে বলা হয়েছে। তবে, যেসব কর্মীর সাংগঠনিক সক্ষমতা নেই বা যারা মাঠপর্যায়ে তৎপর হওয়ার সম্ভাবনা কম, তাদের ক্ষেত্রে আপাতত পুনরায় গ্রেপ্তারের প্রয়োজন নেই বলেও নির্দেশনাটিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি স্বাক্ষরিত এই চিঠিটিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জরুরি হিসেবে উল্লেখ করে রাজশাহী রেঞ্জের প্রতিটি জেলায় এই নির্দেশনা কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর পূর্বেও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে।
এছাড়াও, ভিআইপি প্রটোকল ও নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই বিশেষ নির্দেশনাটি রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট—এই আটটি জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রতিরোধ করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















