রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অভিযান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ও একজন সাংবাদিকের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। একই সঙ্গে এই ঘটনায় জড়িত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ছাত্র সংগঠনটি।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম গত সোমবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আক্রমণে মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক তোফায়েল আহমেদ মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতা নাইম আহমেদকেও বিনা উসকানিতে পুলিশ আক্রমণ করেছে বলে স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়।
স্ট্যাটাসে আরও বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা এবং একজন নিরস্ত্র শিক্ষার্থীকে লাঠিপেটা করা আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। কারও কাছে বেআইনি কিছু পাওয়া গেলে বা অভিযোগ থাকলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করাই বিধিসম্মত পন্থা। বিনা উসকানিতে বলপ্রয়োগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ডাকসু মনে করে, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও কর্তব্যরত সাংবাদিকের ওপর এ ধরনের হামলা স্বাধীন গণমাধ্যম ও নাগরিক অধিকারের পরিপন্থী। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে সর্বদা সংযম, পেশাদারিত্ব এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ প্রত্যাশিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
ডাকসু অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় দায়ী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে। একই সাথে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ যেসব এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়, সেখানে শিক্ষার্থী, সাংবাদিক বা সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা হেনস্তার শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানও জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























