২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুধু পরিচিত ফুটবল পরাশক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং কিছু অখ্যাত দেশের ‘বিখ্যাত’ তারকারাও এবার আসর আলো করে রাখবেন। নরওয়ের আরলিং হালান্ড, মিসরের মোহাম্মদ সালাহ, কানাডার আলফন্সো ডেভিস এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকরা তেমনই কিছু নাম, যারা নিজেদের দেশের চেয়েও বিশ্ব ফুটবলে বেশি পরিচিতি লাভ করেছেন। এই তারকারা আন্ডারডগ দলগুলোর স্বপ্ন পূরণের নতুন আশা সঞ্চার করেছেন।
নরওয়ের ‘গোলমেশিন’ আরলিং হালান্ড বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর স্ট্রাইকার হিসেবে পরিচিত। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে একের পর এক গোল করে তিনি নিজেকে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছেন। প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, এফএ কাপ সহ ইউরোপীয় ফুটবলের প্রায় সব বড় মঞ্চেই তিনি নিজের ছাপ রেখেছেন। যদিও আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখনো তার বড় কোনো অর্জন নেই, তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে পারে। হালান্ডের উপস্থিতি যেকোনো প্রতিপক্ষের রক্ষণকে চিন্তায় রাখবে।
অন্যদিকে, মিসরের মোহাম্মদ সালাহ এখন শুধু তার দেশের নয়, বরং পুরো আফ্রিকার ফুটবল ইতিহাসের অংশ। লিভারপুলের হয়ে তিনি প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, এফএ কাপ, ক্লাব বিশ্বকাপ সহ অসংখ্য ট্রফি জিতেছেন। ক্লাব ফুটবলে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে তার অবস্থান প্রায় নিশ্চিত। তবে জাতীয় দলের হয়ে এখনো বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা অধরা। অনেকের মতে, ২০২৬ বিশ্বকাপই হতে পারে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চ। মিসরের সকল আশা-ভরসা এখন সালাহর পায়ের জাদুতেই নিহিত।
কানাডার গতির প্রতীক আলফন্সো ডেভিস শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি কানাডিয়ান ফুটবলের বিপ্লবের মুখ। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, বুন্দেসলিগা সহ একাধিক বড় শিরোপা জয়ী এই খেলোয়াড় তার গতি, ড্রিবলিং এবং আক্রমণাত্মক মানসিকতার জন্য পরিচিত। তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুলব্যাক হিসেবে বিবেচিত হন। সাম্প্রতিক ইনজুরি নিয়ে কিছু শঙ্কা থাকলেও, কানাডার বিশ্বকাপ স্বপ্নের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুখ তিনিই।
রিপোর্টারের নাম 


















