সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় উদ্ধার হওয়া এক নবজাতক ছেলে শিশুকে চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।
গত সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কের আইন্দারগাঁও নামক স্থানে সিএনজি চালক কাওছার আহমেদ রাস্তার পাশে একটি শিশুর কান্নার শব্দ শুনে তাকে উদ্ধার করেন। আনুমানিক সাত দিন বয়সী শিশুটির হাতে হাসপাতালের ব্যবহৃত কেনুলা লাগানো ছিল বলে জানা গেছে। উদ্ধারকারী কাওছার আহমেদ শিশুটিকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান এবং তিনি ও তার স্ত্রী সেখানে শিশুটির দেখাশোনা করছিলেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির অবস্থার উন্নতি হওয়ায় সমাজসেবা বিভাগের মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে উপযুক্ত অভিভাবকের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছিল। এ লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছিল।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ মো. শফিউর রহমান জানান, শিশুটিকে দত্তক নিতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াধীন ছিল এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই ঘটনাটি ঘটে।
ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নুসরাত আরেফিন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কাওছার আহমেদ তার স্ত্রীকে নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যান। বিষয়টি জানার পর পরই পুলিশকে জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই কাওছার আহমেদ শিশুটিকে চুরি করে নিয়ে গেছেন। শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে এবং দেওয়া ঠিকানায় খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে।
রিপোর্টারের নাম 


















