ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চবিতে ১৩ কোটি টাকার ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, এক বছরে কাজ শেষের লক্ষ্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশের মানোন্নয়নে বড় ধরনের অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত রবিবার ও সোমবার দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রায় ১৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ব্যয়ে সাতটি নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন।

নতুন এই প্রকল্পগুলোর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তর, বিএনসিসি ভবন, নিজস্ব প্রেস এবং শিক্ষক সমিতি ও লাউঞ্জ ভবন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ মনোরম করতে পুরাতন কলা অনুষদ ও লাইব্রেরির সম্মুখভাগের রাস্তার সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্পের কাজও শুরু হয়েছে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, “শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল আহাদ প্রকল্পের কারিগরি দিক তুলে ধরে জানান, নির্ধারিত সাতটি প্রকল্পের জন্য মোট ১৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত উন্নয়নকাজ শুরু হতে যাচ্ছে এবং আগামী এক বছরের মধ্যেই এসব প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, প্রকৌশল দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে ক্যাম্পাসের দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকট অনেকাংশেই দূর হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জোর: বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে তুর্কি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

চবিতে ১৩ কোটি টাকার ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, এক বছরে কাজ শেষের লক্ষ্য

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশের মানোন্নয়নে বড় ধরনের অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত রবিবার ও সোমবার দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রায় ১৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ব্যয়ে সাতটি নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন।

নতুন এই প্রকল্পগুলোর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তর, বিএনসিসি ভবন, নিজস্ব প্রেস এবং শিক্ষক সমিতি ও লাউঞ্জ ভবন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ মনোরম করতে পুরাতন কলা অনুষদ ও লাইব্রেরির সম্মুখভাগের রাস্তার সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্পের কাজও শুরু হয়েছে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, “শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং কাজের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল আহাদ প্রকল্পের কারিগরি দিক তুলে ধরে জানান, নির্ধারিত সাতটি প্রকল্পের জন্য মোট ১৩ কোটি ২৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত উন্নয়নকাজ শুরু হতে যাচ্ছে এবং আগামী এক বছরের মধ্যেই এসব প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, প্রকৌশল দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে ক্যাম্পাসের দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকট অনেকাংশেই দূর হবে।